হংকংকে ৩৮ রানে অল আউট করে সুপার ফোরে পাকিস্তান

হংকংকে ৩৮ রানে অল আউট করে সুপার ফোরে পাকিস্তান

সংগৃহীত

সুপার ফোরে যেতে হলে জিততে  হবে এমন ম্যাচে হংকংকে নিয়ে এক প্রকার ছেলে খেলা করলো পাকিস্তান। ৩৮ রান অল আউট করে দিয়ে ১৫৫ রানের বিশাল জয় পায় বাবর আজমের দল। এর  আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৯৩ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। টসে হেরে হংকংয়ের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে যায় পাকিস্তান। শারজাহ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হয় বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায়।

ইনিংসের শুরুতে কিছুটা ধীরগতিতে ব্যাটিং করলে শেষ ওভারে হংকংয়ের পেসার আইজাজ খানকে ১ চার ও ৪টি ছক্কা হাঁকান খুশদিল শাহ। শুধু খুশদিল একা নন, হংকংয়ের বোলারদের ওপর দিয়ে শেষ দিকে ঝড় বইয়ে দেন পাকিস্তানি ব্যাটাররা। মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের সংগ্রহ ১৯৩ রান।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাবর আজম (৯) তৃতীয় ওভারে কট এন্ড বোল্ড হন এহসান খানের বলে। বাবরের ফেরার পর ১১৬ রানের লম্বা জুটি বাঁধেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ফখর জামান। ৪১ বলে ৩টি চার ও ২ ছক্কায় ৫৩ রানের ইনিংস খেলে এহসানের বলে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন ফখর।

এরপর আর উইকেট দিতে হয়নি পাকিস্তানকে। রিজওয়ানের ১ ছক্কা ও ৬ চারে ৭৮ (৫৭) রানের ইনিংসের সাথে খুশদিল করেন ৫ ছক্কায় ১৫ বলে ৩৫ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ২ ওভারে ১৬ রান তুলে হংকং। এরপর রীতিমতো উইকেটের মিছিল চলতে থাকে। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই বিদায় নেন নিজাকাত। নাসিম শাহের শিকার হওয়ার আগে ১২ বলে তিনি করেন ৮ রান। ওয়ানডাউনে নামা বাবর হায়াত ৪ বল মোকাবেলা করেও স্কোর বোর্ডে কোনো রান যোগ করতে পারেননি। তিনিও নাসিমের বলেই সাজ ঘরে ফেরেন।

আইজাজ খান দেখে দেখে ৫ বল খেলে ১ রান করলেও পরের বলেই উইকেট বিলিয়ে দেন, উল্লাসে মাতেন শাদাব খান। এরপর দলীয় ৩০ রানে কিঞ্চিৎ শাহ, ৩১ রানে স্কট ম্যাককিনি ও ৩৬ রানে হারুন আরশাদ প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এদের মধ্যে কিঞ্চিৎ ও ম্যাককিনির উইকেট নেন মোহাম্মদ নেওয়াজ। বাকিদের মধ্যে জিশান আলি ৩ ও আয়ুশ শুকলা ১ রান করেন।