পুত্রবধূকে স্বীকৃতি না দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ
প্রতীকী ছবি।
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় এক গৃহবধূকে মেরে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। শ্বশুর-শাশুড়ি ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। রোববার (১১জুন) সন্ধ্যায় নাগেরপাড়া ইউনিয়নের পখমসার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, পখমসার গ্রামের দুলাল মাদবরের ছেলে রবিন মাদবর পাশে ভদ্রচাপ গ্রামের মৃত কালাম মাদবরের মেয়ে উম্মে হাফসাকে ভালোবেসে বিয়ে করেন। বিয়ের দুই বছর পার হয়ে গেলেও এখনও স্ত্রীর মর্যাদা পাননি হাফসা। শ্বশুর শ্বাশুড়ি এখনও তাকে পুত্রবধূ হিসেবে মেনে নেয়নি। স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে দুই বছর যাবৎ দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন ফল পাচ্ছেনা হাফসা। এরই মাঝে রবিন সৌদি আরব চলে যান। বিদেশ যাওয়ার সময় হাফসা রবিনকে সাড়ে ৫লাখ টাকা দেন হাফসা। রবিন সৌদী দিয়ে সমস্যায় পড়লে আকামা করার জন্য আরও এক লাখ টাকা রবিনের কাছে সৌদি পাঠায় হাফসা। রবিন এতোদিন হাফসাকে বিভিন্ন আশ্বাস দিয়ে আসলেও এখন তেমন পাত্তা দিচ্ছে না। এর আগেও হাফসা শ্বশুর বাড়ি গেলে তাকে লাঞ্ছিত করে তাড়িয়ে শ্বশুর বাড়ির লোকজন।
হাফসা অভিযোগ করে বলেন, দুই বছর হয় আমরা ভালোবেসে বিয়ে করি। কিন্তু রবিন এখনও আমাকে ঘরে তোলেনি। বিদেশ যাওয়ার সময় এবং বিদেশ যাওয়ার পর মোট ৬লাখ টাকা রবিন আমার কাছ থেকে নিয়েছে। কিন্তু আমাকে ঘরে তুলছে না। এতোদিন শুধু আশ্বাস দিয়ে রেখেছে। আমি আর কতো দিন এভাবে থাকবো? আমি নিরুপায় হয়ে শ্বশুর বাড়ি গেলে তারা আমাকে মেনে না নিয়ে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। এর আগেও শ্বশুর বাড়ি গেলে তারা আমাকে তাড়িয়ে দেয়। এখন আমি কি করবো। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
রবিনের বাবা দুলাল মাদবর বলেন, ছেলে বিয়ে করেছে কিনা তা আমরা জানিনা। ছেলে দেশে না পর্যন্ত আমরা তাকে বাড়িতে যায়গা দিব না। মারধরের বিষয় জিজ্ঞাসা করলে তিনি অস্বীকার করেন।