ইরান ঘিরে আরও তিন রণতরিসহ ২০০০ সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরান ঘিরে আরও তিন রণতরিসহ ২০০০ সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

সংগৃহীত

ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির তিনটি বিমানবাহী রণতরী ও দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপ ইরানের আশপাশের এলাকায় মোতায়েন করা হচ্ছে। এদিকে হরমুজ প্রণালিতে ২৫ লাখ ব্যারেল তেল বহনকারী একটি সুপারট্যাংকার অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

আলজাজিরাকে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের নেতৃত্বাধীন স্ট্রাইক গ্রুপ এবং ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ডের নেতৃত্বাধীন একটি ল্যান্ডিং ফোর্স ইতোমধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে রওনা হয়েছে। মাকিন আইল্যান্ডের সঙ্গে প্রায় দুই হাজার মেরিন সেনা রয়েছে। পুরো সামরিক সমাবেশ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

এদিকে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ২৫ লাখ ব্যারেল তেলবাহী সুপারট্যাংকার অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। তবে হামলার উৎস বা প্রজেক্টাইলটি কী ছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বহরে রয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক অ্যামফিবিয়াস শিপ ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড ও স্থল অভিযানে পারদর্শী দুই হাজার মেরিন। বহরে থাকা নাবিকদের মিলিয়ে নতুন করে ইরানের চারপাশে ১০ হাজার নৌসেনা মোতায়েন হতে যাচ্ছে।  

যুদ্ধবিরতি পুনরুজ্জীবিত করার ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জবাবের বিষয়টি এখন পর্যালোচনা করছে তেহরান। এ পরিস্থিতিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপে তেহরান কখনো পিছপা হবে না।

তাসনিমের খবরে পেজেশকিয়ানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘আমরা কখনো আলোচনা থেকে পিছপা হইনি এবং কখনো হবও না, যদিও চুক্তি স্বাক্ষরের পরও যুক্তরাষ্ট্র আমাদের দেশের ওপর তিনবার হামলা চালিয়েছে।’

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চুক্তিসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘আমরা তাদের উড়িয়ে দেব, অথবা কোনো চুক্তি করব, সেই সময় ঘনিয়ে আসছে।’ ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘একভাবে বা অন্যভাবে এটি খুব শিগগির শেষ হতে যাচ্ছে।’