নারীদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দিতে হবে: রবি উপাচার্য

নারীদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দিতে হবে: রবি উপাচার্য

সংগৃহীত

নারীদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার পাশাপাশি ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের (রবি) উপাচার্য অধ্যাপক তাহমিনা আখতার। নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমাজ, দেশ ও রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে ‘সচেতন হই, নিরাপদ সমাজ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইভটিজিং, যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজাদপুর থানার যৌথ উদ্যোগে পদযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পদযাত্রা শেষে স্থানীয় বিসিক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

অধ্যাপক তাহমিনা আখতার বলেন, “নারীদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দিতে হবে। নারীরা কেন হয়রানির শিকার হবে? নারী ও পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের সমাজ, দেশ ও রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি ধর্মেই নারীর সমান অধিকার এবং বিশেষ করে তাদের মর্যাদার কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বলা হয়েছে।”

এ সময় তিনি সমাজ ও পরিবারে নারীর অবস্থান এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরে সবাইকে নারীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

এর আগে সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩ থেকে একটি সচেতনতামূলক পদযাত্রা শুরু হয়। পদযাত্রাটি ঢাকা-পাবনা মহাসড়ক ঘুরে শাহজাদপুরের বিসিক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা সুলতানা, সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের সার্কেল অফিসার এসপি সানতু এবং উল্লাপাড়া-শাহজাদপুরের এডিশনাল এসপি হাফিজুর রহমান।

বক্তারা নারী নির্যাতন, ইভটিজিং ও যৌন হয়রানিমুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, স্থানীয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।