অজ্ঞতা স্বীকার করা জ্ঞানীদের অনন্য বৈশিষ্ট্য

অজ্ঞতা স্বীকার করা জ্ঞানীদের অনন্য বৈশিষ্ট্য

ফাইল ছবি

বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার আমরা তাঁর কাছে উপস্থিত হলে তিনি বললেন, ‘হে লোকসকল! তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ে জানে, সে যেন তা অন্যদের জানিয়ে দেয়। আর যে বিষয়ে জানে না, সে যেন স্পষ্টভাবে বলে, “আল্লাহই ভালো জানেন।

’ কেননা, যে বিষয়ে মানুষের জ্ঞান নেই, সে বিষয়ে ‘আল্লাহই ভালো জানেন’—এ কথা বলাও জ্ঞানেরই একটি অংশ।” (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪৮০৯)

শিক্ষা ও করণীয়

১. কোনো বিষয়ে নিশ্চিত জ্ঞান থাকলে তা অন্যের কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত। জ্ঞান গোপন না করে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো একজন জ্ঞানীর দায়িত্ব।

২. কোনো বিষয়ে জ্ঞান না থাকলে নিজের অজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে।

না জেনেও জানার ভান করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না।

৩ সব বিষয়ে মানুষের জ্ঞান থাকা সম্ভব নয়। তাই কোনো বিষয় অজানা থাকলে ‘আল্লাহই ভালো জানেন’ বলা জ্ঞানের পরিপূর্ণতারই পরিচয়।

৪. না জেনে কোনো বিষয়ে মতামত দেওয়া, মনগড়া ব্যাখ্যা দেওয়া কিংবা ভুল তথ্য প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫. একজন প্রকৃত জ্ঞানী নিজের মতামত প্রতিষ্ঠার চেয়ে সত্যকে বেশি গুরুত্ব দেন। নিজের ভুল বুঝতে পারলে তা স্বীকার করে নেওয়াই তাঁর বৈশিষ্ট্য।

৬. জ্ঞান মানুষকে বিনয়ী করে। যত বেশি জ্ঞান অর্জিত হয়, ততই মানুষের উপলব্ধি হওয়া উচিত যে, আল্লাহর জ্ঞানের তুলনায় মানুষের জ্ঞান অত্যন্ত সীমিত।