দিনকে দিন বাড়ছে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা। যক্ষ্মার ব্যাকটেরিয়া মাইকো ব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস খুব দ্রুত সংখ্যায় বাড়ে। এছাড়া সাধারণত শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলেও এ ধরনের সংক্রমণ সহজেই বাড়ে। পরিচ্ছন্নতার অভাব ও অপুষ্টিও এর জন্য সমান দায়ী।
- নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে শুল্ক-কর ছাড় যুগান্তকারী উদ্যোগ: অ্যাকশনএইড
- * * * *
- কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়
- * * * *
- সুন্দরবনে অপহরণের ৩ দিন পর বনবিভাগের বেতার চালকসহ তিনজনের মুক্তি
- * * * *
- নিজেকে দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলুন : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
- * * * *
- পদ্মায় ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
- * * * *
অপুষ্টি
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি হামলায় একদিনে কমপক্ষে আরও ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
সুদানের পশ্চিমাঞ্চলের অবরুদ্ধ শহর এল-ফাশেরে গত এক সপ্তাহে অন্তত ৬৩ জন মারা গেছেন অপুষ্টিতে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। রবিবার উত্তর দারফুর প্রদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এএফপিকে এই তথ্য জানান।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে অনাহার ও অপুষ্টিজনিত কারণে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গাজায় অপুষ্টির হারকে উদ্বেগজনক বলে সতর্ক করেছে। যা বিপজ্জনক পথে রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশুদের অপুষ্টির হার কমলেও, সিলেটে অপুষ্টির সমস্যা সে হারে কমছে না বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।
ইসরায়েলের আগ্রাসনের কারণে অপুষ্টিতে ভুগছে গাজার ৮ হাজারেরও বেশি শিশু। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রংপুর নগরীর বস্তি এলাকার অনূর্ধ্ব ৫ বছর বয়সী শিশুদের ৩৮ দশমিক ৬০ ভাগ শিশু অপুষ্টির শিকার। শতকরা ৬৭ ভাগ শিশু স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ছাড়া বস্তির শিশুদের মধ্যে বেশি ওজনের শিশুর সংখ্যাও উদ্বেগজনক। এসব এলাকায় ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা সবচেয়ে বেশি অপুষ্টিতে ভুগছে।
ইয়েমেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাজিব আল-কুব্বাত জানিয়েছেন, দেশটিতে প্রতি পাঁচ মিনিটে অন্তত একটি শিশু মারা যাচ্ছে। এছাড়া, দেশের মোট হাসপাতালের শতকরা ৫০ ভাগ অর্থাৎ অর্ধেক হাসপাতালে সেবা দেয়ার মতো ব্যবস্থা এখন আর নেই। সৌদি নেতৃত্বাধীন কথিত আরব জোটের আগ্রাসন ও অবরোধের কারণে দেশটিতে এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। সৌদি জোটের আগ্রাসনের কারণে ইয়েমেনের মোট ৫২৭টি হাসপাতাল সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে।