অহংকার একটি ঘাতক ব্যাধি। পবিত্র কোরআনে নানাভাবে চিত্রিত হয়েছে এই ঘাতক ব্যাধির কথা। একে ঘাতক ব্যাধি বলা হয়, কারণ তা মানুষের অন্তর্জগৎকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়। আর এর পরকালীন ক্ষতি তো রয়েছেই। এই অহংকার শয়তানকে ‘শয়তানে’ পরিণত করেছে, অভিশপ্ত করে দিয়েছে, আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত করেছে।
- জাবিপ্রবিতে ৫ কিলোমিটার ম্যারাথনের উদ্যোগ ছাত্রদলের
- * * * *
- বড় আকারের কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিল ভক্সওয়াগন
- * * * *
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বি.এড ও বি.এম.এডের পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ
- * * * *
- মাদ্রিদে দারুল ক্বিরাতের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
- * * * *
- রাষ্ট্রদূত হলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল মোস্তাফিজুর রহমান
- * * * *
অহংকার
পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের অহংকার মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এছাড়া পাক সেনাবাহিনী ভারতকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আমাদের সমাজে একটি কথা বহুল প্রচলিত, তা হলো- ‘অহংকার পতনের মূল’। প্রতিটি মানুষের মধ্যে দুটি শক্তি লুকায়িত থাকে। একটি ফেরেশতার চরিত্র বা ইতিবাচক গুণাবলি আর দ্বিতীয়টি হলো শয়তানি চরিত্র বা মন্দ স্বভাব।
অহংকার আমাদের নেক কাজ ও সাওয়াবকে নষ্ট করে দেয়। হাদিসের একাধিক বর্ণনা থেকে প্রমাণিত যে, যার অন্তরে অহংকার থাকবে সে জান্নাতে যেতে পারবে
কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে আনন্দ র্যালী করেছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের নেতৃত্বে র্যালিটি বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পদক্ষিণ করে।
মো. আমিনুল ইসলাম: মানুষের জীবনের সবচেয়ে মারাত্মক ক্ষতিকারক দিক হলো হিংসা ও অহংকার। হিংসা এবং অহংকার মানুষের শান্তিপূর্ণ জীবনকে করে তুলে বিষময়। হিংসা মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনকে করে তুলে দুর্বিষহ ও বিষময়।
আবদুর রশিদ: অহংকার মানব জীবনের এক জঘন্য স্বভাব, যা মানুষের আত্মোপলব্ধিকে ভুলিয়ে দেয়। মানুষ নিজেকে শ্রেষ্ঠ ও অন্যকে হেয় জ্ঞান করতে থাকে। এ জন্য অহংকার করা ইসলামে নিষিদ্ধ।