বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বিশ্বে 'মডেল' বলে আখ্যায়িত করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।ওয়াশিংটন ডিসির রিজ কার্লটন হোটেলে শনিবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এই মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একেএম আবদুল মোমেন।
আইএমএফ
ব্যাংক খাতের উল্লেখযোগ্য সংস্কারসহ সব ধরনের শর্ত প্রতিপালন হচ্ছে কিনা -তা খতিয়ে দেখতে ‘সংশোধিত ব্যাংক কোম্পানি আইনের খসড়া চেয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। পাশাপাশি খেলাপি ঋণ নিয়ে সংস্থাটি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশের জন্য ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণের প্রথম কিস্তির ব্যবহার এবং দ্বিতীয় কিস্তি দেয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি দল আগামীকাল মঙ্গলবার ঢাকায় আসছে।
২০২৩ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে নেমে যাবে এবং আগামী ৫ বছর প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩ শতাংশ থাকবে বলে জানিয়েছেন আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিভা।
পাঁচ দিনের সফরে আজ (রোববার) ঢাকায় আসছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশের আর্থিক খাতে জলবায়ু সম্পর্কিত ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে তাদের এই সফর।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশকে কোনো শর্ত দেয়নি। তারা আমাদের পরামর্শ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্তগুলো অনেকে নতুন মনে করছেন। কিন্তু আসলে তা নয়। রাজস্ব খাতের সংস্কারে আগে আমরা যে কাজ করতে পারিনি, সেই কাজগুলো আইএমএফ আবারও মনে করিয়ে দিল।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দেয়া ঋণের প্রথম কিস্তি ৪৭ কোটি ৬১ লাখ ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশী মুদ্রায় যা প্রায় প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে বলেছেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে কোনো শর্ত দিয়ে ঋণ নিচ্ছে না।তিনি বলেন, ‘আইএমএফ কেবল তখনই (যে কোনো দেশকে) ঋণ দেয় যখন দেশটি ঋণ পরিশোধের যোগ্যতা অর্জন করে। আমরা তো তেমন কোনো শর্ত দিয়ে ঋণ (আইএমএফ থেকে) নিচ্ছি না।’
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ‘রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফান্ড’ (আরএসএফ) থেকে ঋণ গ্রহণকারী এশিয়ার প্রথম দেশ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।