ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সেভাস্তোপলে ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে রাশিয়া।
ইউক্রেনের হামলা
রাশিয়ার দখলকৃত ইউক্রেনীয় শহরে হামলা চালিয়েছে কিয়েভের বাহিনী। এতে কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। হামলার শিকার এই শহরের নাম লিসিচানস্ক। ২০২২ সালের গ্রীষ্মে শহরটি দখলে নেয় রাশিয়া।
বেলগোরোদ শহরে ইউক্রেনের ভয়াবহ হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে রাশিয়া। এছাড়া এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০০ জন। খবর: বিবিসির।
মস্কোর দখলে থাকা ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপোলে রুশ নৌবহরের সদর দফতরে হামলায় কমান্ডার অ্যাডমিরাল ভিক্টর সোকোলোভসহ ৩৪ কর্মকর্তা নিহত ও আরও শতাধিক রাশিয়ান সেনা আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইউক্রেনের বিশেষ বাহিনী।
রাশিয়া অধিকৃত দোনেৎস্ক অঞ্চলে কিয়েভ বাহিনীর হামলায় ছয় বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৯ জন।
রাশিয়ায় ইউক্রেনের হামলাকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে না বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ক্যারিন জ্যঁ পিয়েরে। সম্প্রতি মস্কোয় ড্রোন হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এমন উত্তর দেন তিনি।
ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলের সম্মুখযুদ্ধ ক্ষেত্রের কাছে রাশিয়ার এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। নিহত সাংবাদিকের নাম রোস্তিস্লাভ ঝুরাভলেভ। তিনি রাশিয়ার আরআইএ বার্তা সংস্থার যুদ্ধবিষয়ক প্রতিবেদক ছিলেন। আহত হয়েছেন আরও তিনজন। গতকাল শনিবার (২২ জুলাই) ইউক্রেনের হামলায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
ইউক্রেনের মাকিভকা শহরে নতুন বছরের শুরুতেই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার নাগরিকরা নিহত সৈন্যদের প্রতি শোক জানাতে জড়ো হয় এবং সেখানে তাদেরকে ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করতে দেখা যায়। এভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করা রাশিয়ায় একটি বিরল ঘটনা।
রাশিয়া নববর্ষের দিনে ইউক্রেনের হামলায় তাদের ৬৩ সৈন্যের নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে। রুশ-দখলে থাকা দনেৎস্ক অঞ্চলে অস্থায়ী ওই সামরিক শিবিরে হামলা চালিয়ে কয়েক শ' রুশ সৈন্য নিহত করার দাবি করেছিল ইউক্রেন।
রাশিয়ার পক্ষে লড়াই করা ওয়াগনার মার্সেনারিদের একটি সদর দফতরে ইউক্রেনের সৈন্যরা হামলা চালিয়েছে।