জার্মানির সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়াই ইউক্রেনে ট্যাংক পাঠানোর বিষয়টি ভাবছে পোল্যান্ড। সোমবার পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জার্মানি আনুষ্ঠানিক অনুমতি না দিলেও তার দেশ জার্মানির তৈরি লিওপার্ড টু ট্যাংক ইউক্রেনকে পাঠাতে প্রস্তুত দেশগুলোর একটি জোট তৈরি করছে।
- ভ্যাপসা গরমে বিদ্যুতের লুকোচুরি জনজীবনে নাভিশ্বাস
- * * * *
- যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে ৪৮ ঘণ্টা পর উৎপাদনে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র
- * * * *
- সিদ্ধেশ্বরীতে পিকআপের ধাক্কায় পথচারী নিহত
- * * * *
- নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিতে সন্ত্রাসীদের না বলুন : ইসলামী ছাত্র আন্দোলন
- * * * *
- নোয়াখালীতে খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি খোকন
- * * * *
ইউক্রেনে
ইউক্রেনে এ পর্যন্ত রাশিয়ার এক লাখ ৮০ হাজার রুশ সৈন্য নিহত কিংবা আহত হয়েছেন। এদিকে ইউক্রেনের সেনা হতাহতের সংখ্যা এক লাখ এবং বেসামরিক নাগরিক মারা গেছেন ৩০ হাজার।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার বলেছেন, পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে ইউক্রেনকে ভারী ট্যাঙ্ক দেয়ার ‘কোনো বিকল্প নেই’। এদিকে জার্মানি ইউক্রেনের চাওয়া লিওপার্ড ট্যাঙ্ক দেবে কি-না তা এখনো জানায়নি।
২০১৪ সালে দখল নেয়া ক্রিমিয়া রয়েছে। সেইসাথে রয়েছে, মাস চারেক আগে গণভোটের মাধ্যমে জুড়ে নেয়া ইউক্রেনের চার অঞ্চল— ডনেৎস্ক ও লুহানস্কের (একত্রে এই দুই অঞ্চলকে ডনবাস বলা হয়) পাশাপাশি জাপোরিজিয়া ও খেরসন। সবগুলো অঞ্চলকেই দেখানো হয়েছে ইউক্রেনের অংশ হিসেবে।
রাশিয়া এবং ইউক্রেন প্রতি রোববার ৫০ জন করে বন্দী সেনা বিনিময় করার একটি চুক্তি সম্পন্ন করেছে। পূর্ব ইউক্রেনে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত হলেও উভয় পক্ষই এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে।
এক দিনে রাশিয়ার অন্তত ৮০০ সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী। এ সময় একটি বিমান, একটি হেলিকপ্টার ও তিনটি ট্যাংক ধ্বংস হয়েছে বলেও জানা গেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁর সাথে তার দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সেখানে ফরাসি প্রেসিডেন্ট দ্রুত এএমএক্স-১০ যুদ্ধের ট্যাঙ্ক ইউক্রেনে পাঠানোর কথা বলেছেন।
ইউক্রেনের মাকিভকা শহরে নতুন বছরের শুরুতেই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার নাগরিকরা নিহত সৈন্যদের প্রতি শোক জানাতে জড়ো হয় এবং সেখানে তাদেরকে ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করতে দেখা যায়। এভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করা রাশিয়ায় একটি বিরল ঘটনা।
রাশিয়া নববর্ষের দিনে ইউক্রেনের হামলায় তাদের ৬৩ সৈন্যের নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে। রুশ-দখলে থাকা দনেৎস্ক অঞ্চলে অস্থায়ী ওই সামরিক শিবিরে হামলা চালিয়ে কয়েক শ' রুশ সৈন্য নিহত করার দাবি করেছিল ইউক্রেন।
পশ্চিমা দেশগুলোকে অবশ্যই ইউক্রেনকে দীর্ঘ মেয়াদে সাহায্য করার প্রস্তুতি রাখতে হবে। কারণ, রাশিয়ার নমনীয়ও হওয়ার কোনো লক্ষ্য নেই। ন্যাটো মহাসচিব এই কথা জানিয়েছেন।