ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এক সংবাদপত্রে দেয়া সাক্ষাৎকারে যেসব মন্তব্য করেছেন, তা পছন্দ হয়নি রাশিয়ার। ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, লে জ্যোরনাল দু দিমাখেঁ পত্রিকাকে জানান, ফ্রান্স ইউক্রেনে রাশিয়ার পরাজয় দেখতে চায়; তবে, ধ্বংস দেখতে চায় না।
ইউক্রেনে
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি বলেছেন, বিজয় ছাড়া ইউক্রেনের কোনো বিকল্প নেই। আমাদেরকে ইউক্রেন এবং ইউরোপকে মুক্ত করতে হবে। কারণ, যখন রুশ অস্ত্র থেকে আমাদের দিকে গুলি ছোঁড়া হয়, তখন তা প্রতিবেশীদের দিকেও তাক করা থাকে।
রাশিয়া বলেছে, ইউক্রেনের বিভিন্ন ফ্রন্টে রুশ বাহিনী নতুন করে বেশ কিছু সাফল্য পেয়েছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার এক বছর পূর্তি ঘনিয়ে আসার একই সময়ে এ দাবি করলে রাশিয়া। গত বছর ২৪ ফেব্রুয়ারি কিয়েভের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছিল মস্কো।
একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে শুক্রবার ইউক্রেনে গোলা বর্ষণ করেছে রাশিয়া। ক্ষেপনাস্ত্রগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে আঘাত করে, আর এর ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয়।
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মঙ্গলবার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেছেন, রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে যতদিন লাগবে ততদিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে সমর্থন করবে। খবর এএফপি’র।
ইউক্রেনে পশ্চিমাদের দূরপাল্লার অস্ত্র সরবরাহ রুশ বাহিনীকে বাধা দিতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়া। দেশটি বলছে, এটি মস্কো ও কিয়েভের মধ্যকার সঙ্ঘাতকে আরো বাড়িয়ে তুলবে।
ইউক্রেনের সামরিক কর্মকর্তারা শুক্রবার বলেছেন যে রুশ বাহিনী ইউক্রেনে আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। এমন পরিস্থিতিতে তারা আরো পশ্চিমা অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
ট্যাংকের দাবি পূরণ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৬-এর মতো পাশ্চাত্যের চতুর্থ প্রজন্মের জঙ্গিবিমান চেয়েছে ইউক্রেন। বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেন জানায়, তারা ইউক্রেনকে আধুনিক ট্যাংক সরবরাহ করবে। এতে করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইরত ইউক্রেনের সৈন্যদের মনোবল ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে।
জার্মানির সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়াই ইউক্রেনে ট্যাংক পাঠানোর বিষয়টি ভাবছে পোল্যান্ড। সোমবার পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জার্মানি আনুষ্ঠানিক অনুমতি না দিলেও তার দেশ জার্মানির তৈরি লিওপার্ড টু ট্যাংক ইউক্রেনকে পাঠাতে প্রস্তুত দেশগুলোর একটি জোট তৈরি করছে।
ইউক্রেনে এ পর্যন্ত রাশিয়ার এক লাখ ৮০ হাজার রুশ সৈন্য নিহত কিংবা আহত হয়েছেন। এদিকে ইউক্রেনের সেনা হতাহতের সংখ্যা এক লাখ এবং বেসামরিক নাগরিক মারা গেছেন ৩০ হাজার।