ইউরিক অ্যাসিড শরীরের একটি স্বাভাবিক রাসায়নিক উপাদান, যা প্রোটিনজাত খাদ্যের ‘পিউরিন’ ভেঙে তৈরি হয়। সাধারণ অবস্থায় এটি রক্তে মিশে কিডনির মাধ্যমে মূত্রে বেরিয়ে যায়।
- বাংলাদেশকে-পাকিস্তানে গিয়ে নামাজ পড়তে বললেন বিজেপির মন্ত্রী
- * * * *
- শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশে পৌঁছানোর পরিকল্পনা সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী
- * * * *
- যশোরে চিহ্নিত এক সন্ত্রাসীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা
- * * * *
- গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে সবার ওপরে মেসি, তার পেছনে কারা?
- * * * *
- ইরান যুদ্ধ ভিয়েতনামের চেয়েও বড় পরাজয়
- * * * *
ইউরিক অ্যাসিড
ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যা এখন অনেক। শরীরে এই অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে দেখা দেয় জয়েন্টে ব্যথা, ফোলাভাব, ক্লান্তির মতো নানা সমস্যা। সুস্থ থাকতে তাই এটি নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নেই।
রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে কিডনির রোগসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ে।
আজকাল খাদ্যাভ্যাস অনেক শারীরিক জটিলতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশিরভাগ মানুষই বাইরের ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া খাচ্ছেন। মুখে সুস্বাদু লাগলেও এসব খাবারের প্রভাবে বাড়বে ইউরিক অ্যাসিড।
শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা দেয়। এর কারণে আঙুল ও পায়ের জয়েন্টে ব্যথা, হাড়ের দুর্বলতা, ফোলাভাব ইত্যাদি সমস্যা দেয়। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার মাধ্যমে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
একসময় বাতের ব্যথা বয়স্কদের মধ্যে দেখা যেত। কিন্তু বর্তমানে কমবয়সীরাও এই সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। আর্থ্রারাইটিসের একটি ধরন হলো গাউট। এটি এক ধরনের প্রদাহজনিত বাত। ইংরেজিতে একে ‘ইনফ্লেমেটারি আর্থ্রারাইটিস’ বলা হয়।
অনেকেরই ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা আছে। শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে গেলে গেঁটে বাত, জয়েন্টে ব্যথা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পাশাপাশি সুষম খাবার জরুরি।
বয়সের চাকা ত্রিশ পার হওয়ার পরই নানা স্বাস্থ্য জটিলতা শরীরে বাসা বাঁধে। অনেকেরই দেখা দেয় ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা। এই সমস্যা হলে বসলে ওঠা যায় না, উঠলে বসতে কষ্ট হয়। ওষুধ খেয়েও সবসময় স্বস্তি মেলে না।
শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের উচ্চ মাত্রার কারণে গাউট এবং কিডনিতে পাথরের মতো স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে।