মানব সমাজে শান্তি, নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য অপরাধ দমন ও শাস্তি প্রয়োগ অপরিহার্য।
ইসলামে
চাষাবাদ মানবসভ্যতার প্রাচীনতম ও মৌলিক পেশা। ইসলামে এই পেশাকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে, যা কোরআন ও হাদিসের অসংখ্য দলিল দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
পুরুষ ও নারী উভয়েই মহান আল্লাহর অনুপম সৃষ্টি। পৃথিবীর সবকিছুকে আল্লাহ তায়ালা জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন।
ইসলাম মানুষকে যেমন আখিরাতের সব বিষয়ের দিকনির্দেশনা দিয়েছে, তেমনি দুনিয়ার সব বিষয়েও দিয়েছে ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালা। তাই ইসলামের দৃষ্টিতে ভোটের গুরুত্ব অপরিসীম।
ইসলাম ন্যায়ের ধর্ম। এই ধর্ম ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানায়। মহান আল্লাহ ন্যায়কে মানবজীবনের মৌলিক প্রয়োজন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। কোরআনের একাধিক আয়াতে ইনসাফের গুরুত্ব ও অপরিহার্যতা তুলে ধরা হয়েছে।
ইসলাম নারী-পুরুষের অবৈধ সম্পর্ক বা ব্যভিচার (জেনা) থেকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে। কোরআন ও হাদিসে শুধু শারীরিক সম্পর্কই নয়, বরং সেইসব কাজও জেনা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে যা জেনার দিকে প্ররোচিত করে।
অনশন মানে উপবাস, কোনোরকম খাদ্যগ্রহণ থেকে বিরত থাকা। খাদ্যাভাবে উপবাস অনশন নয়, কারণ তা হলো দরিদ্রের আর্থ-সামাজিক সমস্যা। প্রাচীন ও মধ্যযুগে প্রায় সকল ধর্মেই অনশনের বিধান ছিল।
বিশ্ব সঞ্চয় দিবস। অর্থনৈতিক সচেতনতা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তার জন্য মানুষকে সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। সঞ্চয় শুধু আধুনিক অর্থনীতির প্রয়োজনেই নয়, বরং এটি ইসলামেরও এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
পৃথিবীতে মানুষের সবচেয়ে নিকটজন হলো তার পরিবারের সদস্যরা। সুখে-দুখে এবং বিপদে-আপদে তারাই পাশে থাকে। পরকালীন জীবনেও যেন তারা আপন হয়েই থাকে এবং বিপক্ষে অবস্থান না নেয়, সে জন্য পরিবার নিয়ে ইসলামে বিশেষ এক পরিকল্পনার নির্দেশনা রয়েছে। ইসলামী পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো—পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করা এবং তাদের জান্নাতের উপযুক্ত করে তোলা।
মহান আল্লাহ মানুষের প্রকৃতি এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন, সে যেই পরিবেশে বসবাস করে, ধীরে ধীরে সেই পরিবেশের রীতি-নীতি নিজের ভেতরে ধারণ করে নেয়। মানুষ সমাজবদ্ধ প্রাণী।