নির্বাচন বাঁচিয়ে রাখতে না পারলে রাজনীতি উধাও হয়ে যাবে। তাই কমিশন চায় সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
ইসি
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কূটনীতিকদের কাছ থেকে কোনো পরামর্শ পাননি বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
জাতির স্বার্থে অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনিবার্যভাবে প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
চতুর্থ দিনের মতো বুধবার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চলছে সংলাপ। নির্বাচন কমিশন দুই দফায় বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। সময় বরাদ্দ থাকলেও না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। তবু অপেক্ষায় থাকবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
নির্বাচনে কেউ তলোয়ার নিয়ে দাঁড়ালে তা প্রতিরোধ করতে রাইফেল নিয়ে দাঁড়াতে হবে- এমন বক্তব্য দেয়ায় ক্ষমা চাইলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, আমরা কখনো কখনো ভুল করে ফেলি। এজন্য আমি অনুতপ্ত।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অপ্রয়োজনীয় লাইট, ফ্যান ও এসি অফ রাখার জন্য আইসিটি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
প্রধান নির্বাচন কমিশার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ভোটের মাঠের সহিংসতা রোধে রাজনৈতিক দলগুলোকেও দায়িত্ব নিতে হবে। কারণ ভোটের মাঠের খেলোয়ার হচ্ছে রাজনৈতিক দল।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আজ রোববার থেকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত সংলাপ চলবে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামীকাল ১৭ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংলাপে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল কলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) চেষ্টা চালিয়ে যাবে।