রমজান মাসে, ইফতারের সময় খাবারের অন্যতম প্রধান উপকরণ খেজুর।সূর্যাস্তের সময় বিশ্বের কোটি মুসলমান এই খাবারটিকে বেছে নেন রোজা ভাঙার জন্য।
উপকারী
খাবারের শেষে এক বাটি দই, কিংবা গরমের দিনে এক গ্লাস ঠান্ডা ঘোল দুটোই আমাদের চেনা ও প্রিয়। তবে প্রশ্ন হলো হজমের জন্য আসলে কোনটি বেশি উপকারী? পেটের গ্যাস, অ্যাসিডিটি, বদহজম বা অস্বস্তির মতো সমস্যায় অনেকে দই খান, আবার কেউ ভরসা রাখেন ঘোলের ওপর।
রোজা এলেই ইফতারের টেবিলে ছোলা প্রায় অপরিহার্য একটি খাবার। দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর পুষ্টি জোগাতে অনেকেই এ ডালজাতীয় খাদ্যের ওপর নির্ভর করেন।
সাধারণত হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য দুধ, ডিম বা দই— এই ধরনের প্রাণিজ উৎসের খাবারের কথা মাথায় আসে।
কৃষি বিজ্ঞানের উন্নতিতে এখন সারা বছরই পাওয়া যায় টক স্বাদের রসালো ফল আনারস। অসংখ্য পুষ্টিগুণে ভরা আনারস শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে বহুগুণ।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গর্ভবতী নারীদের খাবারের একটি বিশাল তালিকা দেওয়া হয়, তবে কী কী খাবার খাবেন সে সম্পর্কে খুব কম আলোচনাই করা হয়।
বেশিরভাগ মানুষ মুরগির লেগপিস খেতে বেশি পছন্দ করেন। অনেকের ধারণা, লেগপিসের মাংস বেশি সুস্বাদু ও নরম, আর ব্রেস্টপিস তুলনামূলকভাবে শক্ত ও খেতে কষ্টকর। তাই স্টেক বা বিশেষ রান্না ছাড়া অনেকেই চিকেন ব্রেস্টপিস এড়িয়ে চলেন।
বর্তমান জীবনে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, কম শারীরিক পরিশ্রম ও মানসিক চাপের কারণে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা বাড়ছে।
শীত এলে আমাদের দেশে পিঠাপুলির দিন শুরু হয়ে যায়। আর এই পিঠাপুলি পূর্ণতা পায় গুড় পেলে। এ ছাড়া আরো নানা পদেই মিশে যায় এই উপাদান। অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর গুড় লিভারের কোষকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে এবং এর স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়ক।
অনেক ধরনের ফল আছে, প্রতিটিরই আলাদা আলাদা গুণ রয়েছে। কেউ কলা, কেউ আপেল, কেউ কমলালেবু অথবা আঙুর ফল খুব পছন্দ করেন।