শীতকাল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায় মৌসুমি সংক্রমণও। এসময় সবাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার জন্য পরিচিত ফলের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
উপকারী
রোদ আমাদের শত্রু নয়, বরং প্রাকৃতিক চিকিৎসক। ঠিক সময়ে সূর্যের আলো গায়ে লাগালে শরীর যেমন পায় প্রয়োজনীয় ভিটামিন, তেমনি মেজাজও হয় চনমনে। কিন্তু অনেকেই জানেন না— কোন সময়ের রোদ শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো।
ত্বক, চুল ও হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য কমলা ভীষণ একটি উপকারী ফল। এতে থাকা ভিটামিন সি, ফাইবার, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট— এর উপকারিতার মূল কারণ।
রান্নার তেল শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, এটি আমাদের স্বাস্থ্যের ওপরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
ইদানীং পুষ্টিবিদদের মধ্যে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে। কাঁচকলায় প্রচুর পরিমাণে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ও উপকারী ফাইবার ‘পেকটিন’ পাওয়া যায়।
আমাদের জীবনে কিছু বিষয় আছে যেগুলোকে আমরা স্বভাবতই ‘খারাপ’ বা ‘অস্বাস্থ্যকর’ মনে করি। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, সব সময় চোখে দেখা বা প্রচলিত ধারণাই ঠিক নয়। অনেক অভ্যাস আছে যেগুলোকে আমরা নেতিবাচক ভাবি, অথচ সঠিক মাত্রায় করলে সেগুলো শরীর ও মনের জন্য আশ্চর্য উপকার বয়ে আনে।
আমাদের রান্নাঘরে যেসব উপাদান সব সময় পাওয়া যায়, তার মধ্যে অন্যতম হলো ঘি। গরম ভাতে একটু ঘি হলে, আর কী লাগে। তা ছাড়া ঘিয়ে ভাজা পরোটা, হালুয়া বা খিচুড়ির স্বাদ তো অনন্য। তরকারির স্বাদ বাড়াতেও এই উপাদানের জবাব নেই।
সুস্থ ও হাইড্রেট থাকতে সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি পানের পরামর্শ দেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। সেক্ষেত্রে হালকা গরম পানি খেলে ভালো।
স্বাস্থ্যের জন্য অন্যতম উপকারী একটি ফল হলো আমলকী। ভিটামিন সি, ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর এই ফল নিয়মিত খেলে নানা রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
দই মূলত তাদের জন্য উপকারী যাদের হজমশক্তি বাড়াতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এছাড়া, উচ্চ রক্তচাপ, চর্মরোগ এবং মানসিক চাপ কমাতেও দই উপকারী, তবে ল্যাকটোজ অসহিষ্ণু ব্যক্তি এবং অ্যাসিডিটি যাদের বেশি, তাদের জন্য কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।