জ্বালানি তেলের সংকটের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ময়মনসিংহের ভালুকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে। সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি না থাকলেও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বেড়েছে বিভিন্ন পণ্যের দাম, যা ভোগান্তিতে ফেলেছে সাধারণ ক্রেতাদের।
ঊর্ধ্বগতি
দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। জরিপের পারিবারিক মনস্তত্ত্ব অংশের ফলাফল তুলে ধরে বলা হয়, প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ আর্থিক সংকটের মধ্যে আছে। এদের মধ্যে ৬৭ শতাংশ চিকিৎসা ব্যয় এবং ২৭ শতাংশ ঋণ পরিশোধ নিয়ে সংকটে আছে।
ফের বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় আমিষজাত খাদ্যপণ্য—ডিম, মুরগি ও মাছের দাম। খুচরা বাজারে এসব পণ্যের দাম বাড়তে থাকায় সাধারণ ক্রেতারা পড়েছেন চাপে।
রমজান মাস শুরু হওয়ার আগেই চাল, ডাল এবং তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের ঊর্ধ্বগতির মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে।
সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার কারণেই বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আর্থিক খাতে লুটপাট-দুর্নীতি আর সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য চলছে বলে অভিযোগ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘দেশে চারদিকে হাহাকার। দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আওয়ামী সিন্ডিকেট কবলিত দ্রব্যমূল্যের চরম ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন দেশের মানুষ। ধার-দেনায়ও সংসার চালাতে পারছেন না। এই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ চরম কষ্টে দিন পার করছে।’
অনেক দিন থেকেই বিনোদন জগৎ থেকে দূরে আছেন এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানী। বর্তমানে তিনি ব্যস্ত সময় পার করছেন ব্যবসা ও পরিবার নিয়ে। তবে এ অভিনেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সরব। ফেসবুকে নানা সময় নানা ঘটনা নিয়ে লিখতে দেখা যায় এ অভিনেতাকে।
চলমান অর্থনৈতিক মন্দায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাকে নিত্যপণ্যের সাথে বেড়েছে চিকিৎসা ব্যয়ও। ওষুধসহ চিকিৎসা খরচের ঊর্ধ্বগতিতে নাকাল নিম্ন আয়ের মানুষ।
চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১০৭ টাকা হিসাবে) এ অর্থ ২০ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকার বেশি।