তীব্র গরম থেকে ফেরার পর এক গ্লাস কাঁচা আমের শরবত যেমন প্রাণ জুড়ায়, তেমনি জোগান দেয় প্রয়োজনীয় পুষ্টিরও।
কাঁচা আম
গ্রীষ্মে কাঁচা আম সবচেয়ে সুস্বাদু খাবারগুলোর মধ্যে একটি। কাঁচা আমে থাকা ভিটামিন সি, কে, এ, বি৬ এবং ফোলেটের মতো অগণিত প্রয়োজনীয় ভিটামিন বিভিন্ন নিরাময়কারী উপকারিতা নিয়ে আসে।
গরমে নানান ধরনের পানীয় আমাদের শরীর মনে প্রশান্তি এনে দেয়। যখনই পিপাসা পাচ্ছে তখনই দোকান থেকে কোমল পানীয় কিনে খাচ্ছেন।
বাজারে এখন কাঁচা আমের ছড়াছড়ি। কাঁচা আমের জুস তো কমবেশি সবাই খান। তবে কাঁচা আম দিয়ে কিন্তু পুডিংও তৈরি করা যায়।
কাঁচা আমের জুস থেকে শুরু করে ভর্তা, আচার সবারই কমবেশি প্রিয়। সারাবছর তো কাঁচা আম পাওয়া যায় না।
বর্তমানে কাঁচা আমের আচার বাজারেই কিনতে পাওয়া যায়। বোতলে করে কাঁচা আমের আচার বিক্রি করা হয়। এতে অবশ্য শরীরের উপকার কিছু হয় না।
কাঁচা আমের মৌসুমে আম দিয়ে অনেক ধরনের খাবার তৈরি করা যায়। তবে তীব্র এই গরমে কাঁচা আম দিয়ে টক ডাল রান্না করে খেলে দেহ মনে শান্তি মিলবে।
বৈশাখের সঙ্গে সঙ্গেই বাজারের শোভা বাড়িয়ে তোলে কাঁচা আম। তীব্র গরমে কাঁচা আমের স্বাদ আমাদের এনে দিতে পারে স্বস্তি। কাঁচা আমের শরবত, চাটনি, আম দিয়ে ডাল, ভর্তা, আরও কত পদ তৈরি করে খাওয়া হয়।
কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে। এটি দিয়ে নানা ধরনের খাবার তৈরি করা যায়। এই গরমে প্রাণ জুড়াতে তৈরি করে খেতে পারেন কাঁচা আমের লাচ্ছি। কাঁচা আম, চিনি, টক দই ও অল্প কিছু উপকরণ দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করা যায় এই লাচ্ছি।