পবিত্র কোরআনের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি।’ মহানবী (সা.) এই আয়াতটিকে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একবার তিনি সাহাবি উবাই ইবনে কাআব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার মতে কোরআনের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?’
কুরসি
সৃষ্টির রহস্যপটে আল্লাহ তাআলার কুদরতের তিনটি মহান নিদর্শন- আরশ, কুরসি ও লাওহে মাহফুজ। এ যেন ইলম ও কুদরতের ত্রিভুবন, যার প্রতিটিতে লুকিয়ে আছে আল্লাহর মহিমার অপার বিস্তার।
পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াত হলো আয়াতুল কুরসি। এ আয়াতে আল্লাহর একত্ববাদ, মহিমা ও গুণাবলির বিস্তারিত বর্ণনা থাকায় এটি বিশেষ ফজিলতপূর্ণ। যেকোনো সময় এ আয়াত পাঠ করা সওয়াবের কাজ হলেও হাদিসে বর্ণিত তিনটি সময়ে পাঠ করলে বিশেষ ফায়দা ও সুরক্ষা লাভ করা যায়।
আয়াতুল কুরসি পবিত্র কোরআনের সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ আয়াত। সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতকে আয়াতুল কুরসি বলা হয়। মুমিনের কর্তব্য, এই পবিত্র আয়াতকে প্রতিদিনের নিয়মিত আমল বানিয়ে নেওয়া। তিন সময়ে আয়াতুল কুরসি পাঠ বড়ই ফজিলতপূর্ণ আমল। সেগুলো হলো-
প্রতিটি জিনিসেরই চূড়া বা শীর্ষ রয়েছে। আর কুরআনুল কারিমের চূড়া বা শীর্ষ হলো ‘আয়াতুল কুরসি’। আয়াতুল কুরসি মূলত কুরআনুল কারিমের সবচেয়ে বড় সূরা আল বাকারার ২৫৫নং আয়াত। যেটি কালামে পাকের একটি ফজিলতপূর্ণ আয়াত। হাদিস শরিফে এ আয়াতে কারিমার অনেক গুরুত্ব আলোচনা করা হয়েছে। নিম্নে কয়েকটি আলোকপাত করা হলো-
প্রতিদিন পঠিতব্য ফজিলতপূর্ণ সুরা ও আয়াতের মধ্যে ‘আয়াতুল কুরসি’ ও ‘তিন কুল’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মহান আল্লাহ আমাদের আমল করার তাওফিক দান করুন।