ইসলামি বর্ষপঞ্জির অষ্টম মাস পবিত্র শাবান। এটি রজব ও রমজানের মাঝখানের একটি মধ্যবর্তী মাস। কোরআন-হাদিসের আলোকে শাবান একটি গভীর তাৎপর্যপূর্ণ সময়কাল। এটি আত্মশুদ্ধি ও আমল বৃদ্ধির প্রস্তুতি এবং রমজানের পূর্বাভাস হিসেবে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করেছে।
গুরুত্ব
আরবি মোরাকাবা শব্দের অর্থ নজরে রাখা, পর্যবেক্ষণ করা, ধ্যান করা। এর প্রতিশব্দ হলো তাফাক্কুর, অর্থ চিন্তা করা, গভীরভাবে চিন্তা করা। ইংরেজিতে মোরাকাবাকে গবফরঃধঃরড়হ বলে। সব নবী-রসুল মোরাকাবার মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
দিনের স্বাভাবিক আলো শুধু চোখ বা মন ভালো রাখে না, এটি শরীরের ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমও উন্নত করতে পারে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাকৃতিক দিনের আলোতে বেশি সময় থাকলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের রক্তে শর্করা (গ্লুকোজ) নিয়ন্ত্রণ ভালো হয় এবং শরীরের বিপাকস্বাস্থ্য উন্নত হয়।
পবিত্র কোরআনবিহীন মুমিনের জীবন কল্পনাও করা যায় না। কোনো না কোনোভাবে মুমিনের সঙ্গে কোরআনের সম্পর্ক থাকেই।
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জনই শেষ সাফল্য নয়; বরং অর্জিত জ্ঞান দিয়ে সমাজ, রাষ্ট্র ও মানবকল্যাণে কী অবদান রাখা যায়, সেটিই জীবনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
মহান আল্লাহকে খুশি করার অন্যতম মাধ্যম তাওবা। তাওবার অর্থ হলো আল্লাহর দিকে ফিরে আসা। অর্থাৎ বাহ্যিকভাবে ও অভ্যন্তরীণভাবে আল্লাহ যে কাজ ভালোবাসেন তা পালন করা এবং বাহ্যিকভাবে ও অভ্যন্তরীণভাবে আল্লাহ যে কাজ অপছন্দ করেন তা ত্যাগ করা। তাই তাওবা শুধু গুনাহ ছেড়ে দেওয়ার নাম নয়।
মানুষের জীবন নিরবচ্ছিন্ন কোনো সুখের পথ নয়; বরং তা নিরন্তর এক সংগ্রামের নাম। জীবনের বাঁকে বাঁকে কখনো দেখা দেয় তীব্র অর্থনৈতিক সংকট, কখনো শরীর ভেঙে দেয় দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা।
জীবনের বাঁকে বাঁকে মানুষকে নানারকম সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু অনেক সময় দ্বিধা ও সংশয়ে মন আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এই কঠিন মুহূর্তে মুমিনের জন্য রাসুলুল্লাহ (স.) এক অলৌকিক সমাধানের পথ দেখিয়েছেন। তিনি সাহাবিদের গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো কাজের আগে দুটি বিশেষ আমল করার শিক্ষা দিতেন (সহিহ বুখারি: ১১৬৬), যাকে ইসলামি পরিভাষায় ‘ইস্তেখারা’ বলা হয়।
দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান। তিনি বলেন, তাদের (শ্রমিক) অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণে সম্পদ সৃষ্টি এবং সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ অপরিহার্য।
গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।