স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোয় চলছে জলবায়ু সম্মেলন। শেষ হবে ১২ নভেম্বর। এ সম্মেলনে সুখবর পেল বাংলাদেশ।
- সম্পত্তির লোভে বৃদ্ধা মাকে নির্যাতন, দুই ছেলে গ্রেফতার
- * * * *
- যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, ধ্বংসাবশেষ থেকে পাহাড়ে দাবানল
- * * * *
- পুশইন ঠেকাতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে পাহারায় গ্রামবাসী
- * * * *
- নাটোরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার মূল আসামি গ্রেপ্তার
- * * * *
- মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা, দুই ভাই নিহত
- * * * *
জলবায়ু
বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে কপ-২৬ সম্মেলনে যেসব উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে, তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে গ্লাসগোতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী। এ বিক্ষোভে তরুণদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
তীব্র তাপদাহ, অতি বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, খরা, মরুভূমিতে পরিণত হওয়া বা অতিরিক্ত লবণাক্ততায় হারানো কৃষিভূমি- আবহাওয়ার এমন চরমভাবাপন্নতা আজকের পৃথিবীতে ‘নতুন স্বাভাবিক’ ঘটনায় পরিণত হয়েছে৷
স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে শুরু হওয়া বহুল প্রতীক্ষিত ‘কপ২৬’ জলবায়ু সম্মেলনের ফলাফলে প্রভাব ফেলবেন, বিশ্বের এমন শীর্ষ পাঁচজন বিশ্ব নেতাকে ‘ডিলমেকারস’ হিসেবে বর্ণনা করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন-ডিএনসিসি মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম বলেছেন, জলবায়ুর সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে বিশ্ব নেতাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার পরিবর্তে সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে চলমান কপ২৬ জলবায়ু সম্মেলনে চীন ও রাশিয়ার নেতারা অংশ না নেয়ায় সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
পরিবেশবাদী কর্মী গ্রিটা থানবার্গ তরুণ বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন, কপ-২৬ সম্মেলনে উপস্থিত রাজনীতিকরা ‘আমাদের ভবিষ্যতকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়ার ভান করছেন।’ মঙ্গলবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বকে জলবায়ু অভিবাসীদের দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হবে। আজ এখানে স্কটিশ পার্লামেন্টে “কল ফর ক্লাইমেট প্রসপারিটি” শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভাষণে এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সাধারণত বিশ্বব্যাপী নারীদের সম্পদের সমান অধিকার নেই। এ ছাড়া অনেক সমাজে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা থাকে না এবং প্রায়ই বিভিন্ন নিম্নমজুরি ও মজুরিহীন কার্যক্রমে তাদের যুক্ত করা হয়।
বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন রুখতে ২০৭০ সালের মধ্যে কার্বন দূষণের মাত্রা পুরোপুরি কমিয়ে ফেলার লক্ষ্যমাত্রা পূরণের পাশাপাশি সম্মেলনে মোট পাঁচটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই পাঁচটি প্রতিশ্রুতিকে বিশ্বের কাছে ভারতের উপহার বলেও উল্লেখ তিনি।