হজের মৌসুম শুরু হয় জিলকদ মাসে। এ মাস শেষেই আসবে জিলহজ। হিজরি সনের এই শেষ মাসটি হজের মাস। এ মাসের ৮ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত হাজিরা হজ পালনে নিয়োজিত থাকেন। কিরান ও ইফরাদ হজযাত্রীরা মক্কা মুকাররমায় পৌঁছে ইহরাম অবস্থায় হজের অপেক্ষায় থাকেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইরানের ‘কোনো আস্থা নেই’- আরাঘচি
- * * * *
- মেয়ের মৃত্যুতে বাবা কায়সার হামিদের আবেগঘন বার্তা
- * * * *
- চীন সফর শেষে উপহার পাওয়া ফোন-ফেলে বিমানে ওঠলেন মার্কিন দল
- * * * *
- কুমিল্লায় পৌছালেন প্রধানমন্ত্রী, নেতাকর্মীদের ব্যাপক উচ্ছ্বাস
- * * * *
- কথিত চিত্রনায়িকার বাসা থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার
- * * * *
জিলহজ
জিলহজ মাস, আরবি ১২ মাসের সর্বশেষ মাস। এ মাসটি বছরের চারটি সম্মানিত মাসের একটি। অনেক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এ মাস।
জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়ে থাকে। বৃহস্পতিবার ১৪৪৩ হিজরি সনের চাঁদ দেখা গেলে শুক্রবার (১ জুলাই) থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে।
আরবি ১২ মাসের মধ্যে জিলহজ অত্যন্ত গুরুত্ব ও ফজিলতপূর্ণ একটি মাস। বিশেষ করে এ মাসের প্রথম ১০ দিন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে এ মাসের প্রথম ১০ রাতের কসম খেয়েছেন। ‘শপথ ফজর-কালের এবং ১০ রাতের’। (আল ফাজর : ১-২) মুফাসসিরিনদের মতে, ওই ১০ রাত বলতে জিলহজের প্রথম ১০ দিন উদ্দেশ্য।
কুরবানী বলা হয় আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নৈকট্য অর্জন ও তার এবাদতের জন্য পশু জবেহ করা। আর আল্লাহর উদ্দেশ্যে পশু জবেহ করা তিন প্রকার হতে পারে : ১. হাদী ২. কুরবানী ৩. আকীকাহ ॥
শায়খ আহমাদুল্লাহ:-বছরজুড়ে ঈমানদারের আমল ও ইবাদতের ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার জন্য আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা দান করেছেন ইবাদতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ মৌসুম। রমজান মাস ইবাদতের মৌসুম, এ কথা আমরা সবাই কমবেশি জানি। রমজানের পর দীর্ঘ মেয়াদি গুরুত্বপুর্ণ ইবাদতের মৌসুম হলো যিলহজ্জের প্রথম ১০দিন।
হাদীসে এসেছে, “এদিনগুলোতে নেক আমল করার চেয়ে অন্য কোন নেক আমল করা আল্লাহ্র নিকট এত উত্তম নয়, অর্থাৎ জ্বিলহজের দশ দিন। সাহাবায়ে কিরাম বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর পথে জিহাদও নয়?
জিলহজ মাস ঐতিহাসিক ও ইসলামী শরিয়ত উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই অনেক গুরুত্ব ও তাৎপর্যপূর্ণ। আল্লাহ তায়ালার বিধান অনুসারে যে চারটি মাস পবিত্র ও সম্মানিত, তার একটি হলো জিলহজ মাস।
মুফতি তাজুল ইসলাম
জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। মর্যাদা বোঝাতে মহান আল্লাহ এ দিনগুলোর কসম খেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শপথ প্রভাতের। শপথ দশ রাতের।’ (সূরা: ফাজর, আয়াতা: ১-২)