ডাউন

যশোরে করোনায় ৬ জনের মৃত্যু

যশোরে করোনায় ৬ জনের মৃত্যু

যশোর প্রতিনিধি: যশোরে কঠোর লকডাউনের ২য় দিনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে যৌথ বাহিনী । জেলা শহর ও প্রতিটি উপজেলায় টহল দিচ্ছে তারা। বিনা প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষকে জরিমানা করা হচ্ছে। 

১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ শুরু, মানতে হবে যেসব বিষয়

১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ শুরু, মানতে হবে যেসব বিষয়

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) শুরু হয়েছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টায় শুরু হওয়া এ বিধিনিষেধ চলবে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত। মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণসহ সব ধরনের দোকানপাট, গণপরিবহন এবং শিল্পকারখানা বন্ধ রয়েছে। কঠোর লকডাউনে মাঠে রয়েছে পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনী।

ঈদের পর ১৪ দিন কঠোর লকডাউন : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

ঈদের পর ১৪ দিন কঠোর লকডাউন : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, ঈদুল আজহার ছুটির পর ২৩ জুলাই থেকে ১৪ দিনের জন্য করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশে কঠোর লকডাউন চালু করা হবে।

চলছে গণপরিবহন, খুলছে দোকান-শপিংমল

চলছে গণপরিবহন, খুলছে দোকান-শপিংমল

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যেও বুধবার মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) শিথিল হয়েছে।

লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৩২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ, কারা কিভাবে পাবেন?

লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৩২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ, কারা কিভাবে পাবেন?

লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের মানুষকে সহায়তা করার জন্য সরকার ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা প্রণোদনা ঘোষণা করেছে।মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানান তার প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

লকডাউনে শুক্রবার; ফাঁকা রাজধানীর ব্যস্ত রাস্তা

লকডাউনে শুক্রবার; ফাঁকা রাজধানীর ব্যস্ত রাস্তা

শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় এমনিতেই রাজধানীর রাস্তা ফাঁকা থাকে। এরসাথে লকডাউন যোগ হওয়ায় রাজধানীর সড়কগুলোতে যানবাহনের সংখ্যা নেই বললেই চলে, মানুষের উপস্থিতিও কম। অন্য সব বাহনের তুলনায় আজ রিকশার সংখ্যা কিছুটা বেশি। সেই সঙ্গে অন্যান্য দিনের মতোই সড়কে অনুমোদিত দোকান ছাড়া বাকি সব বন্ধ থাকতে দেখে গেছে।

বেড়েছে মানুষের চলাচল, চলছে ব্যক্তিগত গাড়িও

বেড়েছে মানুষের চলাচল, চলছে ব্যক্তিগত গাড়িও

​মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। কিন্তু চালু রয়েছে ব্যাংক, বীমা, শেয়ারবাজার, গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন শিল্প কারখানা। ফলে কর্মজীবী মানুষগুলোকে প্রতিদিন অফিসে ছুটতে হচ্ছে। কর্মীদের অফিস যাতায়াতের জন্য কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান নিজস্ব পরিবহনের ব্যবস্থা করেছে। ভাড়া করা বড় বাসও রয়েছে এ তালিকায়।