প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোভিড-১৯ পরিস্থিতি থেকে স্থায়ীভাবে উত্তরণ নিশ্চিত করে ২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য একটি বৈশ্বিক রোডম্যাপের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
ডিজি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সম্পূর্ণ ভূমি সেবাকে দেশের জনগণের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসার মাধ্যমে ভোগান্তি লাঘবে সরকার সম্পূর্ণ ভূমি ব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজড করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
দেশে বর্তমানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশই গ্রামীণ এলাকার এবং মৃত্যর সংখ্যা্ও বেশি। কেননা তাদের বেশির ভাগই টিকা নেননি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মো. খুরশীদ আলম।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পরবর্তী পদক্ষেপ হবে ক্যাশলেস সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করা। এতে সমাজ থেকে দুর্নীতি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখা যাবে।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে মানুষের ঈদ আনন্দ যেন বেদনায় পরিণত না নেয়, এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: এ বি এম খুরশিদ আলম।
দেশের বিভিন্ন জায়গায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ৫০ শতাংশের বেশি গ্রামের। এসব রোগী রোগের তীব্রতা অনেক বেশি হওয়ার পর হাসপাতালে আসছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম এ তথ্য দিয়েছেন।
এবছর এক লাখ গরু ডিএনসিসি ডিজিটাল হাটের মাধ্যমে কেনাবেচার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, গত বছর তিন সপ্তাহে ২৭ হাজার গরু বেচাকেনা হয়েছে, এবার আমাদের টার্গেট কমপক্ষে ১ লাখ গরু ডিজিটাল হাটের মাধ্যমে বিক্রি করা।
বিশ্বব্যাপী ভ্যাকসিন নিয়ে যে পলিটিক্স চলছে, বাংলাদেশ সেই পলিটিক্সের শিকার বলে মন্তব্য করেছে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ড. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকারের যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের উদ্যোগের ফলেই বাংলাদেশ আজ এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষ তিনটি দেশের একটিতে পরিণত হতে পেরেছে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হওয়ায় ভিন্ন পরিস্থিতিতে যার যার ঘরে ঈদ উদযাপন করলেও আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব এবং দেশের বাইরের পরিচিতদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা সম্ভব হয়েছে।