ভোলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জেলায় দুই ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। জনবল এবং শয্যা সংকটের কারণে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমসিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
- যাত্রাবাড়ীতে ছাদ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু
- * * * *
- কৃষি খরচ কমাতে সোলার সিস্টেমে যাচ্ছে সরকার : কৃষিমন্ত্রী
- * * * *
- জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শনিবার
- * * * *
- দারিদ্র্য দূর করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে চাই : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
- * * * *
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাপ্তবয়স্করাও হাসপাতালে
- * * * *
ডেঙ্গু রোগী
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২২ জন। বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) সকালে খুমেক হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার এ তথ্য জানান।
কিশোরগঞ্জ জেলার চারটি হাসপাতালে বর্তমানে ৯২ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬১ জন,
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ৬৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১৮ জন।
কিশোরগঞ্জ জেলার পাঁচটি হাসপাতালে বর্তমানে ৮৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৮ জন, কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা
কিশোরগঞ্জ জেলার পাঁচ হাসপাতালে বর্তমানে ৯২ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬৬ জন, কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ২৩ জন, ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন, বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন ও কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ৩ মাসে এই হাসপাতালে সাতজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হলো।
কিশোরগঞ্জ জেলার সাতটি হাসপাতালে বর্তমানে ৭৮ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪৯ জন, কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ১৮ জন, কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইজন, বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন, ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনজন, কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনজন ও অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইজন।।
রাজধানীর বাসাবো, মুগদা, খিলগাঁও, জুরাইন ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি। এসব এলাকার মানুষের ডেঙ্গুর চিকিৎসায় প্রথম পছন্দ মুগদা হাসপাতাল। এ জন্য চলতি বছর ডেঙ্গুর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালটি বেশি আলোচনায়। সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগীর চাপ সামাল দিচ্ছে হাসপাতালটি। এই হাসপাতালটির মতো রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালেও ডেঙ্গু রোগীর চাপ দিনদিন বাড়ছে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) ৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছে ১৪ জন ডেঙ্গু রোগী।