২০০৯ সালে ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদর দপ্তরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে ডেকেছে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন।
তদন্ত কমিশন
পিলখানা বিডিআর হত্যার নেপথ্যের কারণ উদঘাটনে পুনঃতদন্ত কমিশন হয়েছে কি না তা রাষ্ট্রপক্ষের কাছে জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।
জুলাই বিপ্লবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের অমানবিক নির্যাতন, নিপীড়ন ও হামলার ঘটনায় গণতদন্ত কমিশন গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি চলাকালে সহিংসতায় নিহতের ঘটনা তদন্তে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার তিন সদস্যবিশিষ্ট যে তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল তা বাতিল করা হয়েছে।
জাতিসংঘের ঢাকা মিশন প্রধান গোয়েন লুইস জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে ঢাকায় আসছে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশন বা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন।বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা জানান।
নির্যাতন, গুলি এবং গণগ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন সহিংস ঘটনার তদন্তে ‘জাতীয় গণতদন্ত কমিশন’ গঠন করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ তদন্তের জন্য স্বাধীন পুলিশ তদন্ত কমিশন কেন গঠন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করছেন আদালত।রোববার বিচারপতি মোঃ মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মোঃ কামরুল হোসেন মোল্লার দ্বৈত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং পুলিশ মহাপরিদর্শককে তিন সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।