তীব্র শীতে কাঁপছে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়। দুই দিন তাপমাত্রা বাড়ার পর পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৭ ডিগ্রির ঘরে।
তাপমাত্র
পঞ্চগড়ে আবারও জেঁকে বসেছে শীত। তাপমাত্রার পারদ ১১ থেকে ১২ ডিগ্রির ঘরে ওঠানামা করছে। বেলা বাড়লেও নেই সূর্যের দেখা। দিনের আলোতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে সাবধানে চলাচল করছে যানবাহন। বরাবরের মতো দুর্ভোগ বেড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের।
পঞ্চগড়ে আবারও ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা নেমেছে। বেড়েছে শীতের তীব্রতা। তাপমাত্রার এই ওঠানামায় বেড়েছে শীতজনিত রোগব্যাধি।
রংপুর বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
দেশের বিভিন্ন স্থানে তিন দিন ধরে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আর নেই। রোববার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০–এর মধ্যে থাকলে সেটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।
শুক্রবার দেশের ১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। ঢাকাসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকায় কনকনে শীতের বাতাস ছিল।
শৈত্যপ্রবাহ ও তাপমাত্রা নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা আরও কমেছে। শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকালে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
মাত্র একদিনের ব্যবধানে ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেয়েছে চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা। কুয়াশার সঙ্গে সঙ্গে নেমে এসেছে কনকনে শীত।
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে। আজ বুধবার সকাল ৬টায় এই জেলায় ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।