দেশে টানা কয়েকদিনের প্রচণ্ড শীতে রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে বেশিরভাগ জেলার মানুষ কুয়াশা ও ঠাণ্ডার মধ্যে দুর্ভোগের মুখে রয়েছেন।
তাপমাত্র
জানুয়ারি মাসজুড়েই ঢাকাসহ সারা দেশে শীতের প্রকোপ বজায় থাকবে। দেশের কয়েক জেলার ওপর বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহের বিস্তৃতি আরো বাড়তে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে চলতি জানুয়ারি মাসে দেশের ওপর দিয়ে একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। কোনো কোনো এলাকায় তাপমাত্রা আরো কমে আসতে পারে।
সিলেটে জেঁকে বসেছে শীত। গত কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা থেকে রবিবার (৪ জানুয়ারি) ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে।
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আজ সিরাজগঞ্জে। রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে আবহাওয়া অধিদফতরের ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
জানুয়ারি মাসে দেশের তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে আসতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যা শীতের তীব্রতা আরও বাড়াবে।
গোপালগঞ্জে শীতের দাপট অব্যাহত রয়েছে। প্রচণ্ড শীতে জনজীবনে অস্বস্তি নেমে এসেছে। শিশু ও বৃদ্ধরা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে
হিমালয় ছুঁয়ে আসা উত্তরী হাওয়ায় কাঁপছে রাজশাহী। গত দুই দিন ধরে জেলায় মাঝারি থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।
হাওর, টিলা আর চা-বাগান ঘেরা মৌলভীবাজার জেলায় জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। গত কয়েক দিন ধরে ক্রমান্বয়ে তাপমাত্রা কমতে থাকায় কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
গোপালগঞ্জে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। প্রচণ্ড কুয়াশা ও হাঁড়কাপানো শীতে জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে।
তীব্র শীত ও ঠাণ্ডায় গত কয়েকদিন ধরে স্থবির হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের জনজীবন। এতে করে সাধারণ মানুষ পড়েছেন চরম বিপাকে।