তিস্তার ভাঙন

তিস্তার ভাঙনে স্কুল নদীগর্ভে, এরপর জিও ব্যাগ ফেলা শুরু

তিস্তার ভাঙনে স্কুল নদীগর্ভে, এরপর জিও ব্যাগ ফেলা শুরু

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঙনে ‘ভোরের পাখি’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পর ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে বিদ্যালয়টি রক্ষায় আগে থেকেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি থাকলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

 

রংপুরে তিস্তার ভাঙনে নদীপাড়ে বাড়ছে আতঙ্ক

রংপুরে তিস্তার ভাঙনে নদীপাড়ে বাড়ছে আতঙ্ক

 

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় তিস্তা নদীর সংরক্ষিত ডান তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তিস্তা নদীর সংরক্ষিত এই বাঁধের প্রায় ২০ মিটার ব্লক ধসে নদীতে চলে গেছে। এতে করে হুমকির মুখে রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, মসজিদ, সড়কসহ বসতবাড়ি। 

বিপৎসীমার নিচে নামলেও তিস্তার ভাঙন অব্যাহত

বিপৎসীমার নিচে নামলেও তিস্তার ভাঙন অব্যাহত

তিস্তা নদীর পানি সামান্য কিছু সময়ের জন্য বিপৎসীমা অতিক্রম করেছিল মঙ্গলবার বেলা তিনটায়। সন্ধ্যা ৬টায় পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হয়েছে। তবে পানির তোড়ে নদী তীরবর্তী এলাকায় প্লাবিত হয়েছে। সেই সাথে ভাঙন দেখা দিয়েছে। 

লালমনিরহাটে তিস্তার ভাঙনে আতঙ্কে এলাকাবাসী, নদীগর্ভে বিলীন ৩০টি বাড়ি

লালমনিরহাটে তিস্তার ভাঙনে আতঙ্কে এলাকাবাসী, নদীগর্ভে বিলীন ৩০টি বাড়ি

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার তিস্তা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করায় ঘরবাড়ি ও ফসলহানির আশঙ্কায় দিনযাপন করছেন বাসিন্দারা।

কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙনে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে

কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙনে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে

কুড়িগ্রামে সবক'টি নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিয়েছে ভাঙন। বিশেষ করে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তা নদীর ভাঙনে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

তিস্তার ভাঙনে গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে শতাধিক পরিবার গৃহহীন

তিস্তার ভাঙনে গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে শতাধিক পরিবার গৃহহীন

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা ও গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ভাঙন মারাত্মক রূপ নিয়েছে। গত এক সপ্তাহে তিস্তা নদীর তীরবর্তী বহু মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে।

কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা মানুষ

কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা মানুষ

কুড়িগ্রামে কয়েক দিন ধরে বৃষ্টির ফলে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। এ সময় ছয়টি বাড়ি ভেঙেছে। হুমকিতে রয়েছে আরো ৭০-৮০টি বাড়ি। অসময়ে তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মানুষ।