ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস উড়ানো বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। কেউ এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার জেল অথবা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
- বাস কাউন্টারে বই পড়বে অপেক্ষামান যাত্রীরা
- * * * *
- রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান রাখাইন রাজ্যেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- * * * *
- গাজীপুরে ভাওয়াল রিসোর্ট থেকে বিদেশি মদ জব্দ, আটক ৬
- * * * *
- ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর
- * * * *
- গাইবান্ধায় কালোবাজারে তেল বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার ১
- * * * *
থার্টি ফার্স্ট নাইট
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো এবং ফানুস ওড়ানো বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান এ রিট দায়ের করেন।
খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন ও বছরের শেষ দিন থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন সামনে রেখে ঢাকার নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট সামনে রেখে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করতে ডগ স্কোয়াড মোতায়েন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
থার্টি ফার্স্ট নাইটে কমবেশি সবার ঘরেই বার-বি-কিউয়ের আয়োজন থাকে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, থার্টি ফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে বা বাড়ির ছাদে গানবাজনা ও আতশবাজি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এ ছাড়া যেকোনো ধরনের ডিজে পার্টিও নিষিদ্ধ থাকবে।
মাদকের অপব্যবহার রোধে আগামী ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে দেশের সকল প্রকার বার বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ঘড়ির কাঁটায় রাত ১২টা বাজতেই রাজধানী ঢাকার প্রতিটি এলাকায় ফানুস ওড়ানো শুরু হয়। একযোগে ফোটানো হয় পটকা বা আতশবাজি। আর তাতে বিকট শব্দে কেঁপে কেঁপে ওঠে গোটা মহানগরী। ফানুসের আগুন ছিটকে পড়ে বিভিন্ন এলাকার বাসাবাড়িতে।
থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও করোনা মহামারীর কারণে এবার উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না।
করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন বিশ্বব্যাপী দ্রুত বিস্তারের পরিপ্রেক্ষিতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব বড়দিন এবং ইংরেজি নববর্ষের উৎসব সীমিত পরিসরে আয়োজনের সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।