রিয়া লোক দেখানোর মানসিকতা এক মারাত্মক ব্যাধি। এর কারণে মানুষের ভালো কাজ ও ইবাদত নষ্ট হয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, হে মুমিনগণ, তোমরা খোঁটা দিয়ে এবং কষ্ট দিয়ে নিজেদের সদকাকে সেই ব্যক্তির মতো নষ্ট করো না, যে নিজের সম্পদ মানুষকে দেখানোর জন্য ব্যয় করে এবং আল্লাহ ও পরকালের ওপর বিশ্বাস রাখে না।
দাজ্জাল
কেয়ামতের বড় আলামতগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং সবচেয়ে ভয়ংকর হলো ‘দাজ্জাল’-এর আবির্ভাব। রাসুলুল্লাহ (স.) উম্মতকে দাজ্জালের ফিতনা থেকে বারবার সতর্ক করেছেন।
কিয়ামতের ৪০ দিন আগে পৃথিবীতে মিথ্যুক দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে। সে মানুষকে বিপথগামী করতে সবধরনের চেষ্টা চালাবে। মানব জাতির জন্যে দাজ্জালের চেয়ে অধিক বড় বিপদ আর নেই।
দাজ্জালের আগমন কেয়ামতের অন্যতম আলামত। পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর ফিতনা হবে দাজ্জালের ফিতনা। অলৌকিক বিষয় দেখিয়ে সে মানুষের ঈমান হরণ করতে চাইবে। সে নিজেকে প্রভু দাবী করবে।
সুরা কাহফ দাজ্জাল ও দাজ্জালি ফিতনার সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সুরা কাহফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করবে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৮০৯)
সুরা কাহফ দাজ্জাল ও দাজ্জালি ফিতনার সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সুরা কাহফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করবে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৮০৯)
মানব সভ্যতার জন্য সবচেয়ে বড় ও কঠিনতম পরীক্ষা হলো দাজ্জালের ফেতনা। এই ফেতনা থেকে নিরাপদ থাকার মন্ত্র রয়েছে সুরা কাহফে। দাজ্জালের ফেতনার পূর্বাপর সম্পর্কে আলোচনা করলে দেখা যায়, আগে বর্ণিত চারটি ফেতনার সঙ্গে দাজ্জালের ফেতনার সম্পর্ক রয়েছে।
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: যে ব্যক্তি দাজ্জালের আগমনের সংবাদ শুনে, সে যেন তার নিকট থেকে দূরে সরে থাকে। আল্লাহর শপথ! কোন ব্যক্তি নিজেকে মুমিন ধারণা করে তার কাছে যাবে, কিন্তু তার তেলেসমাতি কর্মকাণ্ডের ধোঁকায় পড়ে সে তার অনুকরণ করে ফেলবে।