আল্লাহ তাআলা নারী ও পুরুষকে এমনভাবেই সৃষ্টি করেছেন যে তারা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। বিবাহের প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো, বংশরক্ষা এবং শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তি লাভ করা।
- সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই, দ্রুত সব সংকটের সমাধান হবে: রিজভী
- * * * *
- জামালপুরে মদ ও ইয়াবাসহ আটক ৩
- * * * *
- জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার নিবন্ধন শুরু
- * * * *
- জনগণের ভোট ও আস্থাই বিএনপির মূল শক্তি: আমানউল্লাহ আমান
- * * * *
- মবের অপসংস্কৃতি রোধে সরকার সজাগ রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- * * * *
দৃষ্টি
ইসলাম ন্যায়ের ধর্ম। এই ধর্ম ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানায়। মহান আল্লাহ ন্যায়কে মানবজীবনের মৌলিক প্রয়োজন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। কোরআনের একাধিক আয়াতে ইনসাফের গুরুত্ব ও অপরিহার্যতা তুলে ধরা হয়েছে।
অনশন মানে উপবাস, কোনোরকম খাদ্যগ্রহণ থেকে বিরত থাকা। খাদ্যাভাবে উপবাস অনশন নয়, কারণ তা হলো দরিদ্রের আর্থ-সামাজিক সমস্যা। প্রাচীন ও মধ্যযুগে প্রায় সকল ধর্মেই অনশনের বিধান ছিল।
গবেষণা ও পরিকল্পনাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়া কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রযুক্তি, প্রকৃতি ও আধুনিকতায় এগিয়ে থাকা দেশ জাপানের রাজধানী টোকিওর ব্যস্ত নগরে শান্তি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এক অনন্য স্থাপনা, টোকিও কামি মসজিদ। এটি শুধু জাপানের সবচেয়ে বড় মসজিদই নয়, বরং ইসলামী স্থাপত্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন।
শিক্ষাকে মানব জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হিসাবে উল্লেখ করে অধিকার কর্মীরা এক আলোচনা সভায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে তাদের সমাজে মর্যাদার সঙ্গে বসবাসের সুযোগ এনে দেবে।
ইসলামী শরিয়ত হলো, সেই পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যা আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের জন্য মনোনীত করেছেন।
যশোর প্রতিনিধি::‘আপনার চোখকে ভালবাসুন’ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত হয়েছে যশোরে। দিবসটি উপলক্ষ্যে শহরের পুলেরহাটস্থ আদ্-দ্বীন সকিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশ্ব দৃষ্টি দিবস বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর)। প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাপী এই দিবস পালিত হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, বিএনপির উদার গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশ অর্জনে সহায়ক হবে, যা ভবিষ্যতে বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।