রমজান আমাদের ঘরে আসে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে। এই মাস শুধু প্রাপ্তবয়স্কদের ইবাদতের মৌসুম নয়, এটি শিশুদের হৃদয়ে ঈমানের প্রথম বীজ বপনেরও সুবর্ণ সময়। আজ যে শিশু মায়ের হাত ধরে সাহরিতে জাগে, বাবার পাশে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ার চেষ্টা করে, কাল সেই হবে দ্বিনের দায়িত্বশীল বাহক। তাই শিশুদের রোজা ও নামাজে অভ্যস্ত করানো কোনো চাপের বিষয় নয়; এটি ভালোবাসা, প্রেরণা ও ধৈর্যের এক সুকৌশলী যাত্রা।
নামাজ
ইসলামে ইবাদতের মধ্যে নামাজ সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কোরআনে নির্ধারিত সময়ে নামাজ কায়েমের নির্দেশ রয়েছে। তবে বর্তমানের প্রতিযোগিতামূলক করপোরেট জীবনে দীর্ঘ মিটিং, জরুরি প্রজেক্ট কিংবা কাজের চাপে অনেক সময় নামাজের ওয়াক্ত পার হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়।
ঢাকা-১৫ (মিরপুর-কাফরুল) সংসদীয় এলাকার পূর্ব কাজীপাড়ায় জুমার নামাজ আদায় করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
দেশের আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে রোজা শুরু হচ্ছে। সেই সঙ্গে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এশার নামাজের পর থেকেই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা তারাবি নামাজ আদায় করবেন।
বিতর নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিতর অর্থ বিজোড়। এ নামাজ ৩ রাকাত হওয়ায় একে বিতর বলা হয়। এ নামাজ পড়া ওয়াজিব। এশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিক (রাতের শেষ দিকে পূর্ব দিগন্তের উভয় দিকে ক্ষীণ প্রশস্ত আকারে আলোর প্রকাশ) পর্যন্ত আদায় করা যায়।
ইসলামি সংস্কৃতিতে যেসব দিবস ও রজনী বিখ্যাত, এর মধ্যে শবে বরাত। শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত ‘শবে বরাত’।
তাই রুকুর তাসবিহ সিজদায় ও সিজদার তাসবিহ রুকুতে পড়া সুন্নত পরিপন্থি কাজ। ইচ্ছা করে এ রকম অদল-বদল করে তাসবিহ পড়া অনুচিত।
মক্কার মসজিদে হারাম ও মদিনার মসজিদে নববিতে আজ (শুক্রবার, ১১ শাবান, ৩০ জানুয়ারি) জুমার নামাজের ইমামতি করবেন ও খুতবা দেবেন যারা, তারা হচ্ছেন প্রখ্যাত দুই শায়খ।
নামাজে কেরাত বা সুরা পাঠ করা নামাজের অন্যতম ফরজ রোকন। ফরজ নামাজে কোরআনের তারতিব বা সুরাসমূহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা মোস্তাহাব। অনেক সময় অজান্তে বা অসতর্কতাবশত আমরা সুরার ধারাবাহিকতা উল্টে ফেলি বা নিয়ম রক্ষা করতে পারি না।
জুতা বা মোজা পায়ে দিয়ে নামাজ ও জানাজা আদায় করা যাবে কি না- এ নিয়ে জনমনে প্রায়ই অস্পষ্টতা দেখা দেয়। বিশেষ করে শীতকাল, সফর কিংবা খোলা মাঠে জানাজার সময় এ প্রশ্নটি বেশি সামনে আসে। হাদিস, ফিকহ ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এর দালিলিক সমাধান জানা থাকা জরুরি।