মহাশূন্যে নাসার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী অভিযাত্রী হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন জেসিকা ওয়াটকিন্স। তিনিই প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী যিনি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের ক্রু হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শুক্রবার স্পেস ডটকমের বরাত দিয়ে এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে জিও নিউজ।
নাসা
দীর্ঘ তিন দশক ধরে হাবল স্পেস টেলিস্কোপের লেন্সে ধরা পড়েছে বহু অভূতপূর্ব মহাজাগতিক দৃশ্য। এবার হাবলের চেয়েও শক্তিশালী একটি টেলিস্কোপকে মহাকাশে পাঠাতে চলেছে নাসা।
সূর্যের বলয়ের মধ্যে ঢুকে পড়েছে নাসার যান পার্কার। এর ফলে সূর্যের চুম্বকীয় ক্ষেত্র নিয়ে বহু তথ্য পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।২০১৮ সালে পৃথিবী থেকে সূর্যের দিকে রওনা হয়েছিল নাসার সৌরযান পার্কার।
শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান নাসা গ্রুপে ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট মার্চেন্ডাইজার’ পদে জনবল নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
চাঁদের বুকে ১৯৭২ সালের পর আবার মানুষ পাঠানোর জন্য নাসার প্রথম মুন মিশন এক বছরের জন্য পিছিয়ে ২০২৫ সালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।অনেক পর্যবেক্ষক ধারণা করছিলেন অর্থের ঘাটতি আর অবতরণ যান নিয়ে কিছু আইনি জটিলতা কাটিয়ে উঠে নাসা পূর্ব নির্ধারিত ২০২৪ সালেই চাঁদে মানুষ পাঠানোর এই অভিযান চালাতে পারবে।
চাঁদের বুকে বরফ খুঁজতে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা নতুন অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে। এজন্য প্রতিষ্ঠানটি একটি রোবটযান পাঠাতে যাচ্ছে। ওই রোবটযানের নাম ‘ভাইপার’।
অত্যন্ত উদ্বেগজনক খবর দিল নাসা। তারা জানিয়েছে, আগামী দশকে আমেরিকা সহ পৃথিবীর বিভিন্ন উপকূলবর্তী এলাকায় প্রবল বন্যা হবে। এর জন্য দায়ী উষ্ণায়ন নয়, বরং চাঁদ। হ্যাঁ, রাতের আকাশে ‘রোম্যান্টিক’ উপস্থিতি দিয়ে যুগের পর যুগ মানুষের কল্পনার সঙ্গী চাঁদের প্রভাবেই ১০ বছর পর ঘন ঘন বন্যা হবে।
‘আপনাদের মনে হতে পারে আলু, আমরা বলব মঙ্গলের চাঁদ।’’ লালগ্রহের বৃহত্তম উপগ্রহ ফোবোসের এক অতিকায় ছবি শেয়ার করে এমনটাই জানাল মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। মাত্র ৬ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দূর থেকে তোলা এই ছবিতে স্পষ্ট ধরা পড়েছে ফোবোসের পৃষ্ঠের গর্তগুলিও।
এই ব্রহ্মাণ্ডে কোথাও কি রয়েছে পৃথিবীর দোসর? যেখানে থাকবে নির্দিষ্ট বায়ুমণ্ডল। আর থাকবে প্রাণ। আজও তার খোঁজ মেলেনি। তবে খোঁজায় কমতি রাখেননি জোতির্বিজ্ঞানীরা। এবার তাঁরা আবিষ্কার করলেন একটি নতুন গ্রহ (Exoplanet)। আমাদের সৌরজগৎ থেকে বহু দূরে তার অবস্থান। পৃথিবী থেকে দূরত্ব ৯০ আলোকবর্ষ। যেটিকে দেখে বিস্মিত গবেষকরা।
আশা জাগাচ্ছে নাসার পারমাণবিক ঘড়ি। পরীক্ষার প্রথম ধাপ পেরিয়েছে এই যন্ত্র। আর তা উসকে দিচ্ছে সৌরজগতের বাইরে মহাকাশের দূরতম কোণে ভ্রমণের সম্ভাবনাকে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ২০১৯ সালের জুনে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করার সময় তার ভিতরে রেখে দিয়েছিল একটি ‘ডিপ স্পেস অ্যাটমিক ক্লক’।