তাপমাত্রা বাড়ার পর আবারও পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৮ ডিগ্রির ঘরে। পাশাপাশি রাতে অনবরত ঠাণ্ডা বাতাসের কারণে শীতার্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে দুর্ভোগে পড়েছেন অসহায় ছিন্নমূল মানুষ।
- সমুদ্রপথে ইতালিতে পৌঁছানোর শীর্ষে বাংলাদেশি অভিবাসীরা
- * * * *
- তাজমহল ‘মন্দির’ ছিল, দাবি নিয়ে আদালতে হিন্দুত্ববাদীরা
- * * * *
- আকুর দায় পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩৬ বিলিয়নের ঘরে
- * * * *
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হলেন নাহিদ রহমান
- * * * *
- ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সব দলের কাছে আয়-ব্যয়ের তথ্য চেয়েছে ইসি
- * * * *
পঞ্চগড়ে
তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলেও পঞ্চগড়ে শীতের প্রকোপ এখনো কমেনি। বৃহস্পতিবার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ১০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
পঞ্চগড়ে আবারও আহমদিয়া সম্প্রদায়ের (কাদিয়ানী) সালানা জলসা বন্ধের দাবি জানিয়েছে খতমে নবুওয়াত সংরক্ষণ পরিষদ। সালানা জলসা বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে ইসলামী এ সংগঠনটি।
পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও হাড় কাঁপানো শীত অব্যাহত রয়েছে।
দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে গতকালের তুলনায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও কমেনি শীতের তীব্রতা। গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করলেও আজ ১০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে আজকে ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
পঞ্চগড়ে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। বিগত কয়েকদিনের তুলনায় কুয়াশার ঘনত্বও বৃদ্ধি পেয়েছে।মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল থেকেই বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। উত্তর-পশ্চিম থেকে বয়ে আসা পাহাড়ি হিম বাতাসে এ জনপদের জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
পঞ্চগড়ের দুটি আসনেই বিশাল ব্যবধানে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীদের জয় হয়েছে।পঞ্চগড়-১ আসনে (পঞ্চগড় সদর, আটোয়ারী ও তেঁতুলিয়া) নাইমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা ও পঞ্চগড়-২ আসনে (বোদা ও দেবীগঞ্জ) রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন চতুর্থবারের মতো জয়ী হয়েছেন।
হিমশীতল বাতাসে পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছে। তাপমাত্রা বাড়লেও কুয়াশার সঙ্গে হিমশীতল বাতাসে শীতে কাঁপছে উত্তরের এ জেলা। এতে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও কমছে না শীতের তীব্রতা। অধিকাংশ সময়েই মৃদু বাতাসের সঙ্গে কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। শীতকে উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে ছুটছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।