পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ও তার স্ত্রী সেলিনা মোমেন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার সর্বোপরি জনগণের ক্ষতি করতে বিএনপি-জামায়াত বিদেশে ৮টি লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ দিয়ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন, চলচ্চিত্র একটি প্রজন্মের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, অনেক চলচ্চিত্র রয়েছে যেগুলো শিক্ষনীয় এবং ব্যক্তিজীবনেও দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ দেওয়া একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। দেশের স্বার্থে যেখানে প্রয়োজন সেখানেই সরকার তদবির করবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদোল্লাহিয়ান চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে চীন সফরে যাবেন। এ সময়ে দুদেশের মধ্যে সই হওয়া ২৫ বছর মেয়াদি সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে তিনি আলোচনা করবেন।
ফের লকডাউন দেয়ার কোনো পরিকল্পনা এখনও নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে টিকা গ্রহণ এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এবং এর সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, এটি রাতারাতি সমাধান করা যাবে না। ধাপে ধাপে করা লাগবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, এশিয়া বিশ্বের ভবিষ্যৎ, বাংলাদেশও তাই। তিনি সবাইকে দেশপ্রেম, মর্যাদা ও সততা নিয়ে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী ও আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন।তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের বিনিয়োগবান্ধব নীতির ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ এ অঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে।’
র্যাবের বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে প্রচেষ্টা ও সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘এমন নয় যে যুক্তরাষ্ট্রের সব সিদ্ধান্তই সঠিক। এমন অনেক উদাহরণ আছে। আমরা আশা করি, তারা সিদ্ধান্তের পরিবর্তন করবে। এ লক্ষ্যে আমাদের প্রচেষ্টা চলবে।’