পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে পদ্মা নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ২টার দিকে নৌপথে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ করা হয়
- জেনে নিন কীভাবে বানাবেন মজাদার খাবার পাকা আমের সালাদ
- * * * *
- ফোন নম্বর শেয়ার করা ছাড়াই যোগাযোগের ফিচার আনছে হোয়াটসঅ্যাপ
- * * * *
- বৈঠকের কথা অস্বীকার করল ইরান, তবুও কাতারের পথে মার্কিন দূত
- * * * *
- কুমিল্লায় ২ পুলিশ কর্মকর্তার গাঁজা বিক্রির বিষয়ে যা বললেন ওসি
- * * * *
- আনচেলত্তির যে কৌশলে জাপানি ফাঁদ থেকে রক্ষা পেল ব্রাজিল
- * * * *
পাটুরিয়
দৌলতদিয়া- পাটুরিয়া নৌরুটে ঘন কুয়াশার কারণে সকল প্রকার দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল ছয় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর কুয়াশার ঘনত্ব কমে যাওয়ায় আবারও ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।
ঘন কুয়াশার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে সকল প্রকার দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) ভোর ৬টার দিকে পদ্মায় কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে গেলে এ নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ঘন কুয়াশার কারণে সাড়ে তিন ঘন্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার পর ফের ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৭টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।
ঘন কুয়াশার কারণে টানা আড়াই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ওই নৌপথে টানা আড়াই ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।
ঘন কুয়াশার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।সোমবার সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে নদী পথে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে গেলে নৌ-দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় ঘাট কর্তৃপক্ষ।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।রোববার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৬ টার দিকে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে গেলে দুর্ঘটনা এড়াতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটে ঘন কুয়াশার কারণে চার ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার পর আবারো ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ঘন কুয়াশার কারণে সোয়া তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।
পরিবারের সাথে ঈদের আনান্দ ভাগাভাগি করে নিতে বৃহস্পতিবার ভোর রাত থেকেই পাটুরিয়া ঘাটে প্রাইভেটকার, ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বাড়তে থাকে। পাশাপাশি বাসেরও চাপ বেড়েছে। ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী শত শত যানবাহন পারাপারে হিমশিম খাচ্ছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।