টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ৬ লাখ ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ। এছাড়া জেলার ৮ উপজেলায় বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। ফলে অন্ধকাচ্ছন্ন হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন চট্টগ্রামবাসী।
পানি
টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি, বরকল, বাঘাইছড়ি ও জুরাছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার ১০ উপজেলায় ৩৭১টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে।
চট্টগ্রাম নগরীতে ১৯২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় পানিতে ডুবে গেছে। এ অবস্থায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধের দাবি জানান শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও শিক্ষকেরা।
বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে যে, সবচেয়ে বেশি বন্যাক্রান্ত হয়েছে বান্দরবান জেলা। এরপর রয়েছে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলা। এছাড়া ফেনী জেলার কিছু এলাকা বন্যাক্রান্ত হয়েছে।
গেলে কয়েক দিন ধরে ভারি বর্ষণ ও মাতামুহুরী নদীতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে বান্দরবানের লামা, কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়ায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে তিন উপজেলার প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মানুষ এখন পানিবন্দি অবস্থায় জীবনযাপন করছেন।
বরিশাল বিভাগের বেশীরভাগ নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে নেমেছে। তবে সোমবারও দুটি নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রাবহিত হয়েছে।
টানা বৃষ্টি, জোয়ারের পানি ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার জেলার ৩১ ইউনিয়নের ৩ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ঢলে আসা কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে চকরিয়ার মাতামুহুরি নদীতে ভেসে যায় এক যুবক।
নগরের অন্তত ১৫ লাখ মানুষ অসহনীয় কষ্টের শিকার। ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা।
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় পুকুরে পানিতে ডুবে চাচাত ভাই-বোন দুই শিশু মারা গেছে। রবিবার দুপুরে উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের মবফারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে
তিনদিন ধরে পানির নিচে বন্দর নগর চট্টগ্রাম। জলাবদ্ধতার ভোগান্তি পোহাচ্ছে নিম্নাঞ্চলসহ পুরো নগরবাসীকে। বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে নগরীর অধিকাংশ এলাকা। বাসাবন্দী হয়ে পড়ছে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।