প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ দেখার। মালয়েশিয়া ও চীন সফরে আমি দেশের ও দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি এবং সেই স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি।
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর যে মানদণ্ড স্থাপন করেছে, তা শুধু আগামী বাংলাদেশের রাজনীতিতে নয়, বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে-সেটিও নিশ্চিত করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন জাতীয় সংসদের সরকার ও বিরোধীদলীয় সদস্যরা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সাফল্য উপলক্ষে রাজধানীতে আনন্দ মিছিল করেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
মালয়েশিয়া ও চীনে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) রাত পৌনে ৮টায় রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান।
চীনে চার দিনের সরকারি সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সদস্যরাও একই ফ্লাইটে রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার কোনো স্থান নেই।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। আজ শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় তাঁরা সাক্ষাৎ করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা সহজ করতে শিগগিরই চীনে বাংলাদেশের প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ চালুর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।