চলতি ফুটবল বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে স্পেনের ডিফেন্ডার পাও কুবারসি জিতেছেন টুর্নামেন্টের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয় করেছেন ফ্রান্সের তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফ্রান্সের অধিনায়ক ১০টি গোল করে তালিকার শীর্ষে থাকেন। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার তারকা মেসি ৮টি গোল নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছেন।
বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো মহারণে মাঠের একেবারে কাছ থেকে খেলা দেখার সুযোগ কে না নিতে চাইবে। যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালও দেখতে চেয়েছিলেন দর্শক। এজন্য প্রায় ১২ কোটি টাকা মূল্যের বিশেষ আসন নিতে হয়েছে।
১৬ বছর পর স্পেন শিরোপা জিতল। এই জয়ের নায়ক ফেররান তরেস। ম্যাচের ১০৬ মিনিটে আর্জেন্টিনার জালে বল জড়িয়ে তিনি দলের জয় নিশ্চিত করেন। তিনি নিশ্চিতভাবেই স্পেনের জাতীয় বীর বনে গেছেন এতোক্ষণে।
স্পেন-আর্জেন্টিনা ফাইনালের শুরুর ৯০ মিনিটে গোল আসেনি। তবে ১০ জনের আর্জেন্টিনার বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে গোলের দেখা প্রায় পেয়েই গিয়েছিল স্পেন। যদিও নিকো উইলিয়ামসের সে গোল বাতিল হয়েছে বল জালে জড়ানোর পরই।
আর্জেন্টিনাকে বোতলবন্দী করে নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিতে নিল স্পেন।
আরও একটা বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছে গেছে আর্জেন্টিনা। বাংলাদেশ সময় আগামী ২০ জুলাই বিশ্বকাপের এই চূড়ান্ত লড়াইয়ে স্পেনের মুখোমুখি হবে লিওনেল মেসির দল। তবে এই ম্যাচের আগে দলটাকে শঙ্কায় রেখেছে ‘জুলাই’। কারণ ইতিহাস বলছে এই মাসে কখনোই বিশ্বকাপ জেতেনি আর্জেন্টিনা, ৩ ফাইনাল খেলে হেরেছে ৩টিতেই। এবারের ফাইনাল সেই ইতিহাস বদলে দেওয়ার সুযোগ এনে দিয়েছে দলটির সামনে।
ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনালে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। এখন স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের অপেক্ষায় লিওনেল স্কালোনির দল। আজ রোববার রাতে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এই মহারণ অনুষ্ঠিত হবে।
এক বিশ্বকাপ আসরে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্টের রেকর্ড এখন মাইকেল ওলিসের দখলে। শনিবার মিয়ামি স্টেডিয়ামে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুইবার কিলিয়ান এমবাপ্পেকে দিয়ে গোল করিয়ে এই রেকর্ড গড়েন তিনি। এতে ভেঙে গেল ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলের ৫৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড।
কারো কারো মতে, অর্থহীন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটাই এতটা অর্থবহ হয়ে উঠবে, তা কে জানত!
অবিশ্বাস্যের ঘোর লাগিয়ে প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। দ্বিতীয়ার্ধে পাল্টা জবাব দিয়ে ৩ গোল শোধ করেছে ফেলেছে ফ্রান্স।