নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশে দেশটির বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
বন্যা
ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত নেপাল এখন শুধু উদ্ধার, ত্রাণ কিংবা পুনর্বাসনের অর্থ চাইছে না। দেশটির দাবি, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্ষতিপূরণও দিতে হবে। আর সেই দাবির কেন্দ্রে রয়েছে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত।
চীন-নেপাল সীমান্তের হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২০৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ২১৬ জন।
নেপালের ভোটেকোশি নদীতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ১২৭ জনে পৌঁছেছে।
নেপালের ত্রিশুলি উপত্যকায় হিমবাহসৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ২ হাজার ৫০০ ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে।
দেশে সেপ্টেম্বর মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে এ মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে তিনটি মৌসুমি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নেপালের সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ কত দ্রুত ভয়াবহ মানবিক সংকটে রূপ নিতে পারে। তবে বৈশ্বিক পরিসংখ্যান বলছে, নেপালের এই ঘটনা মোটেও কোনো বিচ্ছিন্ন চিত্র নয়; বরং বিশ্বজুড়েই প্রকৃতির রোষানলের শিকার হচ্ছেন কোটি কোটি মানুষ।
নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ২২ লাখ মার্কিন ডলার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে চীন।
নেপালে ভয়াবহ বন্যায় এখনো দুই শতাধিক শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছে। সেইসঙ্গে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তিন জেলায় অন্তত ১৯টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
যুক্তরাষ্ট্রের গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন ন্যাশনাল পার্কের দুর্গম অঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন।