চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় গানসু প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় কমপক্ষে ১০ জন নিহত এবং ৩৩ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
বন্যা
ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে লালমনিরহাটের তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে ঘরবাড়ি, রাস্তা-ঘাট ও ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তিস্তার পাড়ের হাজারো মানুষ।
ভারতের উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর ধারালি গ্রামে ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে।
প্রবল বর্ষণ এবং তার ফলে সৃষ্ট বন্যা, বজ্রপাত ও ভূমিধসে গত ২০ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট— ১৪ দিনে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য রাজ্য হিমাচলে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৮৪ জন।
টানা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে দেশের অধিকাংশ নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টায় কিছু নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। ফলে ১০ জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
মৌসুমি বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে পাকিস্তান। বন্যার পানি নেমে গেলেও ভেসে উঠেছে ধ্বংসের চিত্র। শুধু সম্পদের ক্ষতিই নয়, প্রাণহানিও ঘটেছে ব্যাপক।
বাংলাদেশে আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহের শেষের দিক থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে বন্যা শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় রাস্তা ভেঙে লোকালয়ে প্রবেশ করছে তিস্তার পানি। এ অবস্থায় নদীপাড়ের মানুষজন উৎকণ্ঠায় সময় পার করছেন।
চীনের বেইজিংয়ে টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার বছর না পেরোতে ফের পানিতে ডুবেছে ফেনীর জনপদ। টানা বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলার পাঁচটি উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী এলাকা বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে।