ভারত থেকে নেমে আসা তীব্র পাহাড়ি ঢলে সীমান্তবর্তী সুরমা-কুশিয়ারা নদীতে বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ভাষায় ‘ডাইক’ নামে পরিচিত বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় তলিয়ে গেছে জকিগঞ্জ পৌর শহর।
- ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও ৭৩ জন হাসপাতালে
- * * * *
- ঢাকার খাল পুনরুদ্ধারে সীমানা চিহ্নিতকরণে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত
- * * * *
- বজ্রপাতে নদীতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার
- * * * *
- ঝিলমিল প্রকল্পে দ্রুত সময়ে বাড়ি করার পরিবেশ তৈরিতে কাজ করা হচ্ছে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী
- * * * *
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে সালিশে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
- * * * *
বন্য
ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজার, সিলেটের জকিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, চট্টগ্রামের বাঁশখালী, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
তিন দিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের নদ-নদী, খাল বিল ও হাওরে বাড়ছে পানি। জেলার চারটি প্রধান নদ- মনু, ধলাই, কুশিয়ারা ও জুড়ীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
নাইজেরিয়ার নাইজার রাজ্যে ভারি বৃষ্টিতে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় হাজার হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
নাইজেরিয়ার নাইজার রাজ্যের মোকওয়াতে ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বন্যার পানি শত শত মানুষকে ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়ায় এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় বন্য হাতির আক্রমণে সুরতন নেছা (৬০) নামে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে উপজেলার বাতকুচি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সুইজারল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের ওয়ালিস অঞ্চলে একটি বড় হিমবাহ ধসে পড়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ এ ঘটনার পর বন্যার ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ করছে।
দেশের উত্তরের, উত্তর-পূর্বের ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১১টি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার (৩০ মে) পর্যন্ত ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের সম্ভাবনার কারণে এসব অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও ঘণীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এ অবস্থায় আগামী দুদিন ছয় বিভাগে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
পাকিস্তানের উত্তরপূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে শক্তিশালী ঝড় ও বজ্রপাতের কারণে অন্তত ১০ জন নিহত ও ৪৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ভারী বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে এসব এলাকায় বেশ কিছু বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে।