কয়লার অভাবে পটুয়াখালীর ১,৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র আজ সোমবার (৫ জুন) থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ হচ্ছে। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মধ্যে ৬৬০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার একটি ইউনিট গত ২৫ মে বন্ধ হয়ে যায়।
- ফের বাবা হলেন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’র হাবু ভাই
- * * * *
- রামিসা হত্যাকান্ডের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করার দাবি ফুলকুঁড়ি আসরের
- * * * *
- আইকিউওও ব্র্যান্ডের এই ফোনে পাবেন ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি
- * * * *
- চ্যাটজিপিটি ও জেমিনিকে এই ৫টি তথ্য ভুলেও দেবেন না
- * * * *
- স্মার্টফোনে আধুনিক লাইফস্টাইলের ছোঁয়া: ঈদবাজারে ইনফিনিক্সের চমক
- * * * *
বিদ্যুৎকেন্দ্র
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিয়ন কয়লা সংকটের অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ ৫ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ডলার সংকটের কারণে কয়লা আমদানির বিল পরিশোধ করতে পারছে না বাংলাদেশ।
কয়লা সংকটে ২৩ দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় শুরু হয়েছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে উৎপাদন শুরু হয়। ফলে ২৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু করেছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি।
শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা কমে যায় প্রায় অর্ধেক। কিন্তু অল্প চাহিদার বিদ্যুৎও উৎপাদন করতে হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে সব তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হবে।
বাংলাদেশে পরিবেশ ইস্যুতে বহুল আলোচিত-সমালোচিত রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করতে পারে বলে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা আভাস দিয়েছেন।
জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ৯ দিন পর নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫ নম্বর ইউনিটে উৎপাদন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার দেশের প্রথম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ও শেষ ইউনিটের চুল্লি (রিঅ্যাকটর প্রেসার ভেসেল) স্থাপনের উদ্বোধন করেছেন।
বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, গত ৪ অক্টোবর জাতীয় পাওয়ার গ্রিডে বিপর্যয়ের পর থেকে ঘোড়াশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পূর্ণ ক্ষমতায় পুনরায় চালু করা যায়নি।
বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যুৎ খাতে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার অংশ হিসেবে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের প্রথম ইউনিটটি আগামী অক্টোবরের শুরুতে বাণিজ্যিকভাবে চালু হবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।১৩২৯ (২x৬৬০) মেগাওয়াট কয়লা চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১ সফলভাবে ১৫ আগস্ট জাতীয় গ্রিডের সাথে সমন্বয় করা হয়।