ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসনে ৮০ জনকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এদিকে ১১টি আসনের মধ্যে তিনটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন।
বিদ্রোহী
বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করে ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হওয়ার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপসকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক ছিলেন।
বিদ্রোহী প্রার্থীরা যদি আলাপ-আলোচনার পরেও নির্বাচনের মাঠে থেকে যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।
শেষ দিনেও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন না হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া।
বাগেরহাটের ৪টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৩টি আসন থেকে মোট ৬ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরিকদের সঙ্গে আসন সমঝোতার পরও কয়েকটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠে থাকায় চাপে পড়েছে দলটি।
চট্টগ্রামের ১৬ টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপির দুইজন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা।
বাগেরহাট জেলার মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে ৪টি সংসদীয় আসনে ২৬ প্রার্থীর মধ্যে ৩টি সংসদীয় আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে পাঁচজন।
সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে অনুষ্ঠিত এক শোকসভায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীকে (স্বতন্ত্র) সব ধরনের মান অভিমান ভুলে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে কাজ করার আহবান জানানো হয়েছে।