প্রায় এক সপ্তাহ ধরে দেশের আবহাওয়ায় দেখা যাচ্ছে ভিন্নমুখী আচরণ। কোথাও প্রচণ্ড গরম, আবার কোথাও ভারী বৃষ্টি। এই পরিবর্তনের কারণে কোথাও শীতল পরিবেশ তৈরি হলেও, কিছু এলাকায় এখনো তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।
প্রায় এক সপ্তাহ ধরে দেশের আবহাওয়ায় দেখা যাচ্ছে ভিন্নমুখী আচরণ। কোথাও প্রচণ্ড গরম, আবার কোথাও ভারী বৃষ্টি। এই পরিবর্তনের কারণে কোথাও শীতল পরিবেশ তৈরি হলেও, কিছু এলাকায় এখনো তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।
চীনের চংকিং প্রদেশের ইয়ংচুয়ান জেলায় ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১১ জন।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড়-বৃষ্টি হলেও একইসঙ্গে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহে জনজীবনে ভোগান্তির যেন শেষ নেই। এরইমধ্যে আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দেশে পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। এদিন দেশের ৫ বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ভারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
দেশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সোমবার (২৫ মে) সকাল ৯টার মধ্যে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
তীব্র গরমের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। তবে বৃষ্টির পরও দেশের বিভিন্ন এলাকায় তাপপ্রবাহ চলমান আছে। এ অবস্থায় শনিবার সকাল পর্যন্ত দেশের ১১ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রাজধানীতে অন্তত চার দিন ধরে ভ্যাপসা গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২ টার পর রাজধানীর উত্তরা, কুড়িল, বারিধার, গুলশান, তেজগাঁওসহ বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়।
দুপুরের মধ্যে ১১ জেলায় দমকাসহ ঝড়োয়া হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে। এইসব জেলায় নদীবন্দরে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ অবস্থান করার কারণে দেশের সব বিভাগে সপ্তাহজুড়ে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ঢাকাসহ দেশের ৯ জেলায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
ভারতের উত্তর প্রদেশে ভয়াবহ ধুলিঝড়, ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতে অন্তত ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৭২ জন।