বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার বলেছেন, দেশের রফতানি ও রেমিট্যান্স; আমদানির তুলনায় উদ্বৃত্ত হওয়ায় ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার কোনো সঙ্কট থাকবে না।
বৈদেশিক মুদ্রা
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আমদানি রোধের পদক্ষেপ ও বৈদেশিক বাণিজ্যে মুদ্রা বৈচিত্র্যকরণ সত্ত্বেও দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নিচে নেমে গেছে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে থাকায় ভুটান যাত্রীবাহী যানবাহন, ভারি আর্থমুভিং মেশিন এবং কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যতীত সমস্ত যানবাহন আমদানি নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেবল রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভর না করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য রপ্তানির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
আমদানি পণ্যের ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটাতে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ (ফরেক্স) চাপের মুখে রয়েছে। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক (আরবিআই)’র তথ্য অনুসারে ১৫ জুলাই পর্যন্ত সামগ্রিক রিজার্ভ ৭.৫ বিলিয়ন কমে ৫৭২.৭ বিলিয়নে দাড়িয়েছে।
দেশে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ রিজার্ভ দিয়ে আগামী ১২ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। মঙ্গলবার (০১ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
গার্মেন্টসসহ অন্যান্য রফতানি খাতের মতো হালাল গোশতসহ প্রাণিসম্পদ খাত থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।