চীনের উত্তর-পশ্চিমের জিনজিয়াং অঞ্চলে ৬ দশমিক শূন্য মাত্রার শক্তিশালী এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে এই ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার চীনের ভূমিকম্প
ভূমিকম্প
রাজধানীতে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে এ ভূকম্পন্ন অনুভূত হয়।
রাজধানী ঢাকায় ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা ১৫ মিনটে এ কম্পন অনুভূত হয়।
ভূমিকম্প নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ দিনের যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা শেষ হলে ১৬ দিনের শীতকালীন ছুটিও বহাল থাকবে।
বরিশালে ভূমিকম্প পূর্ব ও পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কমানো, উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা এবং উদ্ভুত প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য তিন দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
প্রকৃতির সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দুর্যোগের মধ্যে ভূমিকম্প অন্যতম। আগাম পূর্বাভাসের সুযোগ না থাকায় বড় ক্ষতির আশঙ্কাও বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় মানুষের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
ভূমিকম্পের মতো ভয়াবহ বিপর্যয়ের পূর্বাভাস আজও কোনো বিজ্ঞানী বা যন্ত্র দিতে পারেনি।
বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরেই সতর্ক করে আসছেন যে বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে রয়েছে। ঢাকাকে ঘিরে রয়েছে একাধিক শক্তিশালী ফল্টলাইন—ডাউকি ফল্ট, মধুপুর ফল্ট, ভারত ও ইউরেশিয়ান প্লেটের মধ্যকার বিশাল প্লেট বাউন্ডারি ফল্ট, নরসিংদী ফল্ট, জামালপুর-ময়মনসিংহ অঞ্চলের নতুন ফল্ট সিস্টেম এবং কলকাতা সাইসমিক করিডরের বিস্তৃত সম্প্রসারণ।
কক্সবাজার ও পার্শ্ববর্তী পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম শহরে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে কক্সবাজার শহর, উখিয়া, চকরিয়ায় স্থানীয়রা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভূমিকম্পের পর মাথা ঘোরা বেশ স্বাভাবিক শারীরিক প্রতিক্রিয়া। তবে শরীরের সংকেতগুলোকে হালকাভাবে না নেওয়াই ভালো। ভূমিকম্পের মতো আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুধু পৃথিবীকেই নাড়িয়ে দেয় না, আমাদের শরীর ও মনকেও ধাক্কা দিয়ে যায়।