বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটি পরিচিত বাস্তবতা। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন, খরা—এসব দুর্যোগ নিয়মিতভাবে মোকাবেলা করে টিকে থাকে দেশের মানুষ। তবে ভূমিকম্প অন্য সব দুর্যোগের তুলনায় ভিন্ন বৈশিষ্ট্য, তীব্রতা ও ঝুঁকি বহন করে। ভূমিকম্প অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের তুলনায় সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত, সবচেয়ে দ্রুত এবং সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক।
ভূমিকম্প
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রাজধানীতে হয়েছে পরপর দুইবার। সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়।
ভূমিকম্প এমন একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা আশেপাশের সবকিছুকেই নাড়িয়ে দেয়। এটি কেবল ঘর-বাড়ি বা চারপাশের জিনিসকে নাড়া দেয় না, আমাদের শরীর ও মনেও ধাক্কা দেয়। ভূমিকম্প থেমে যাওয়ার পরও তাই অনেকের মাথা ঘোরে, শরীর হঠাৎ দুলে ওঠে কিংবা চারপাশের সবকিছু অস্বাভাবিক লাগে।
বাংলাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দেন ‘কোনো কম্পন টের পাইনি’। কেউবা লেখেন ‘ভূমিকম্পের ঘণ্টাখানেক আগে ঘুম থেকে উঠেছিলাম, কিন্তু কিছুই অনুভব করিনি’ ইত্যাদি।
ভূমিকম্প মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা। কিয়ামতের আলামত ও আজাব দেওয়ার একটি অন্যতম মাধ্যম। পূর্ব যুগে মহান আল্লাহ বহু জাতিকে আজাব ধ্বংস করেছেন।
নরসিংদীতে ভূমিকম্পে নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে নিহত বাবা-ছেলের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।
রাজধানী ঢাকায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি নতুন নয়, তবে সাম্প্রতিক সমীক্ষা আরও একবার আতঙ্ক বাড়িয়েছে রাজধানীর বাসিন্দাদের মধ্যে।
ঢাকায় শুক্রবারের ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় গভীর সমবেদনা ও সংহতি প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
বাংলাদেশে শুক্রবার ভূমিকম্প আঘাত হানার পরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কম্পন অনুভূত হয়েছিল। সেই ভূমিকম্প নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি খোঁচা দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। নরসিংদীর মাধবদীকে কেন্দ্র করে হওয়া এ কম্পনে সারাদেশে এ পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।