ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। কাদা ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।জানা গেছে, ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে কেরালা রাজ্যের ওয়ানাড় জেলায় চা বাগান ও আশপাশের গ্রামগুলোতে একাধিক ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।
ভূমিধসে
ভারতের সর্বদক্ষিণের রাজ্য কেরালার ওয়েনাদ জেলার মেপ্পেদির বড় এলাকাজুড়ে ভূমিধস হয়েছে। এতে শত শত মানুষ হতাহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ৩৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শতাধিক লোক আটকা পড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এনডিআরএফসহ একাধিক সংস্থা মেপ্পাদির কাছে পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছে।
ভারতের সর্বদক্ষিণের রাজ্য কেরালার ওয়ানাড় জেলার মেপ্পেদির বড় এলাকাজুড়ে ভূমিধস হয়েছে। এতে শত শত মানুষ হতাহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
মধ্য চীনের হুনান প্রদেশে বন্যার কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে একটি স্থানীয় গেস্টহাউস ধসে গেছে। এ ঘটনায় আজ রবিবার ১১ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া অন্তত একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
ভারী মৌসুমি বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে নেপালে ৯ জন নিহত হয়েছেন। এই ভূমিধসে একই পরিবারের পাঁচ জন মারা গেছেন।
কয়েকদিনের টানা বর্ষণ আর ভূমিধসে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিমে। সড়ক-ব্রিজ ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে রাজ্যের বেশ কিছু অঞ্চল। এতে রাজ্যটিতে আটকা পড়েছেন দেড় হাজার পর্যটক।
ভারতের উত্তর সিকিমের লাচুং, লাচেন ও চুংথাং এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও প্রবল ভূমিধসে ৬ জন নিহত হয়েছেন। এসব এলাকায় বাংলাদেশিসহ প্রায় দেড় হাজার পর্যটক আটকা পড়েছেন।
শ্রীলঙ্কায় আকস্মিক মৌসুমি ঝড় হয়েছে। এর প্রভাবে হওয়া বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
পাপুয়া নিউগিনিতে ভয়াবহ ভূমিধসে দুই হাজারের বেশি মানুষ মাটির নিচে চাপা পড়েছে। পাপুয়া নিউগিনির পক্ষ থেকে জাতিসংঘকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রবল বর্ষণের কারণে সৃষ্ট বন্যার ফলে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম সুমাত্রা প্রদেশে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।